বেনাপোল (যশোর): বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিকদের লাগাতার কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে।
সরকার ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়ন না করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করায় শনিবার সকাল থেকে এ কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিকরা।
ফলে, বন্দরের ভেতরে আমদানি পণ্য লোড, আনলোড ও খালাস প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তবে, এ বন্দর দিয়ে ২ দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিকভাবেই চলছে। অন্যদিকে, শ্রমিকরা তাদের কার্যালয়ের সামনে মিছিল ও সভা করছেন।
এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক (ট্রাফিক) আবুল কালাম আযাদ বাংলানিউজকে জানান, বেনাপোল বন্দরে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ পেয়েছেন ড্রব কমিউনিকেশন, লজিস্টিকেল সিস্টেমস, হোসনেআরা ও খালিদ অ্যান্ড ব্রাদার্স ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
ঠিকাদার নিয়োগের বিষয়টি সম্পূর্ণ বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিষয়। এখানে তাদের কিছুই করার নেই।
বেনাপোল হ্যান্ডলিংক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ আলী বাংলানিউজকে জানান, বেনাপোল বন্দরে পুরনো ঠিকাদারের কাজের মেয়াদ ৩১ মে শেষ হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ সরকার ঘোষিত তাদের ন্যায্য মূল্য পরিশোধের দাবি না মেনে নতুন ঠিকাদার নিয়োগের পাঁয়তারা করছে। বেনাপোল বন্দরে টনপ্রতি আাদায় হয় ২৮ টাকা ১৬ পয়সা। এ হিসাবে শ্রমিকরা পাবেন ১৮ টাকা ৩০ টাকা। কিন্তু, মধ্য স্বত্বভোগী ঠিকাদাররা শ্রমিকদের দিচ্ছে টনপ্রতি ১২ টাকা। টনপ্রতি ১৮ টাকা ৩০ টাকা আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মবিরতি কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রিজভী আহম্মেদ বাংলানিউজকে জানান, শ্রমিক কর্মবিরতির কারণে আমদানিকারকরা বন্দর থেকে পণ্য খালাস করে নিতে পারছে না। এভাবে চলতে থাকলে সরকার প্রতিদিন ৭ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে।
বাংলাদেশ সময়: ২২৩৫ ঘণ্টা, জুন ১,২০১২
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর