 |
| ছবি: রাজীব / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির। এতে পুলিশ ও জাতীয় কমিটির অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন।
রোববার বেলা ১২টার দিকে জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার শেখ মো. শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলে পুলিশ তাতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে। এরই প্রতিক্রিয়ায় তেল-গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে মারে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বাংলানিউজকে জানান, প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশি হামলার প্রতিবাদে সোমবার বিকেল ৪টায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে তিনি জানান।
এর আগে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে সোমবার দিনব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেন ইঞ্জিনিয়ার শেখ মো. শহীদুল্লাহ।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া রণজিত মজুমদার জানান, আহতদের মধ্যে আছেন গণসংহতির তানিয়া, সুমনা, সৈকত মল্লিক, নাহিদ, বেনজির। এছাড়া অন্যান্য সংগঠনের সোহানসহ অনেকেই আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।
এছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির খান আসাদুজ্জামান জানান, সংগঠনের ঢাকা মহানগর কর্মী আরাফাতুল হক রিজভীর মুখে টিয়ারশেলের আঘাতে আটটি দাঁত ভেঙে গেছে। তার চোয়াল ফেটে গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত দেওয়ার জন্য তার হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে।
এদিকে, রমনা জোনের উপকমিশনার (ডিসি) নুরুল ইসলাম বলেন, “রমনা থানার সহকারী কমিশনার (এসি) শিবলী নোমানসহ ২০ জন কমবেশি আহত হয়েছেন।”
আহত হওয়ার কথা স্বীকার করে এসি শিবলী নোমান বলেন, “আমরা তিন রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছি। তবে তারাই আমাদের ওপর হামলা চালায়।”
হামলার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তেল-গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির কর্মীরা আগুন জ্বালিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।
বিক্ষোভে অংশ নেন জাতীয় কমিটির রুহিন হোসেন প্রিন্স, মোশরেফা মিশু প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ১২৩৮ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১২
ইএস/এমআইএইচ/সম্পাদনা: রানা রায়হান, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর; জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটর jewel_mazhar@yahoo.com