ঢাকা: পদ্মাসেতু নির্মাণে দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরে থেকে বেসরকারি খাতের স্বেচ্ছা অনুদান গ্রহণে ‘পদ্মাসেতু নির্মাণে স্বেচ্ছা অনুদান সহায়তা’ নামে ‘নিবাসী’ (স্থানীয়) ও ‘অনিবাসী’ (বৈদেশিক) দুটি ব্যাংক হিসাব খুলতে যাচ্ছে সরকার।
‘বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে’র অধীনে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকে এ দুটি অ্যাকাউন্ট খোলা হবে।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘এ দুই হিসাব খোলা, হিসাব সংরক্ষণ ও সরকারি কোষাগারে অর্থ স্থানান্তর পদ্ধতি সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংক সকল তফসিলি ব্যাংককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। এ হিসাব দু’টিতে জমাকৃত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত কনসোলিডেটেড ফান্ড-এ প্রচলিত নিয়ম অনুসারে জমা হবে। এ লক্ষ্যে বাজেটে ‘পদ্মাসেতু নির্মাণে স্বেচ্ছা অনুদান সহায়তা (নিবাসী)’ এবং ‘পদ্মাসেতু নির্মাণে স্বেচ্ছা অনুদান সহায়তা (অনিবাসী)’ শীর্ষক পৃথক দু’টি জমার কোড খোলা হবে।’
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, পদ্মাসেতু প্রকল্পটি এডিপিভুক্ত প্রকল্প হিসেবে যথারীতি বাস্তবায়ন ও অর্থায়ন করা হবে। বাজেটে পদ্মাসেতু অর্থায়নে বিভিন্ন উৎসের (সরকার/উন্নয়ন সহযোগী) সঙ্গে এ অনুদান সহায়তার বিষয়টি উল্লেখ থাকবে এবং আগামী সংশোধিত বাজেটে এটা প্রতিফলিত হবে।
অনুদানের অর্থ পদ্মাসেতু বাস্তবায়ন ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যয় করা যাবে না। সেতু কর্তৃপক্ষ প্রতি ৩ মাস পর পর দুই ব্যাংক হিসাবের স্থিতির বিবরণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, অর্থ বিভাগ ও পরিকল্পনা কমিশনকে অবহিত করবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে কোনো অর্থ অব্যয়িত থাকলে তা সরকারের অনুমোদনক্রমে অন্য কোনো অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় বা কনসোলিডেটেড ফান্ড-এ জমা করা হবে।
‘অনুদানের বিষয়টি ব্যাপক প্রচারের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে’ উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অনুদান প্রদানকারীরা ইচ্ছে করলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুদানের অর্থ বা চেক হস্তান্তর করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওই চেক বা অর্থ সেতু কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
বাংলাদেশ সময়: ২২৪৫ ঘণ্টা, আগস্ট ০৮, ২০১২
এসআর/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর