ভোলা: জামায়াত-শিবিরের ডাকা সোমবারের (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল-সন্ধ্যা হরতালে ভোলায় প্রভাব পড়েনি।
সকাল থেকে ভোলার অভ্যন্তরীণ রুটে অন্যদিনের মতই যানবাহন চলাচল করছে। শহরের দোকান-পাট, ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে।
সোমবার ভোরে চরনোয়াবাদ ও আগার পোল এলাকায় টায়ার জালিয়ে পিকেটিং করে জামায়াত শিবিরের কর্মীরা। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
ভোলা-বরিশাল ও ভোলা-লক্ষীপুর রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এছাড়াও জেলার মনপুরা, তজুমদ্দিন, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান, লালমোহন ও চরফ্যাশন উপজেলাতেও হরতালের তেমন প্রভাব পড়েনি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
জেলার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি ও এনজিও অফিসগুলোতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতি ছিলো স্বাভাবিক।
হরতালের ব্যাপারে ভোলা জেলা জামায়াত আমীর মাওলানা ফজলুল হক বলেন, সকালে বেশ কিছু পিকেটিং হয়েছে।
ভোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলায়েত হোসেন বাংলানিউজকে জানান, কোথাও কোনো অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেটি। সব কিছু স্বাভাবিক রয়েছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৫২৪ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৩
সম্পাদনা: রাফিয়া আরজু শিউলী, নিউজরুম এডিটর
মতামত জানাতে ইমেইল করুন:eic@banglanews24.com