 |
ঢাকা: তথ্য এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালির জাতিসত্ত্বাকে উজ্জীবিত করেছেন। বাঙালি জাতি যখন পরাধীনতার গ্লানিতে নিমজ্জিত তখন বিদ্রোহী কবি, বাঙালির কবি, বাংলার কবি, মানবতার কবি, প্রেমের কবি এবং তারুণ্যের কবি নজরুলের বাণী বাঙালি জাতিকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
তিনি আজ শুক্রবার খুলনা সার্কিট হাউজে নজরুল ইনস্টিটিউট আয়োজিত দু’দিনব্যাপী জাতীয় নজরুল সম্মেলনের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
নজরুল ইন্সটিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, সংস্কৃতি সচিব সুরাইয়া বেগম এবং নজরুল ইন্সটিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য খিলখিল কাজী বক্তৃতা করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদ্রোহী কবির স্মৃতি বিজড়িত খুলনাতে ‘নজরুল চর্চা কেন্দ্র’ অথবা ‘নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র’ স্থাপন করা হবে। সরকার জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করে জাতিকে মননশীল করে গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে সরকারিভাবে পয়লা বৈশাখ উদযাপনসহ নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটিয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগন মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, কবি নজরুল নারী জাতিকে বিজয় লক্ষ¥ী বলে সম্মানিত করেছেন। অসা¯প্রদায়িক এ কবির চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, নজরুল আমাদের আনন্দ-বেদনা ও উৎসাহের সাথী। তাঁর কবিতা ও গান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের কে অনুপ্রাণিত করেছে।
পরে সার্কিট হাউজ চত্বরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নজরুল সঙ্গীত, আবৃত্তি এবং নৃত্যে অংশ নেন ঢাকা এবং খুলনার বিশিষ্ট শিল্পীরা।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫৩ঘণ্টা, এপ্রিল ০৬, ২০১২
সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর