চট্টগ্রাম: “ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ নানা আন্দোলন-সংগ্রাম নিয়ে কবিতা লিখেছেন কবি শামসুর রাহমান। তার কবিতায় খুঁজে পাওয়া যায় বাংলাদেশের ইতিহাস।”
শুক্রবার বরেণ্য কবি শামসুর রাহমানের মৃত্যু বার্ষিকীতে আয়োজিত স্মরণ অনুষ্ঠানে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান এ কবিকে এভাবেই মূল্যায়ন করেন বক্তারা।
এদিন বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর চেরাগি পাহাড়ের মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রমা আবৃত্তি সংগঠন এ অনুষ্ঠানে আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রচিত ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থের দুটি কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’ এ পর্যন্ত সবচেয়ে বহুল পঠিত কবিতা। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তার লেখা তরুণদের উজ্জীবিত করেছে।’
‘তুমি নিঃশ্বাস, তুমিই হৃৎস্পন্দন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটি সাজানো হয় কবির জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা, নিবেদিত ও স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং আবৃত্তি দিয়ে।
কবির জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা ও স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন দৈনিক আজাদীর সাহিত্য সম্পাদক অরুণ দাশগুপ্ত, কবি আবুল মোমেন, খালিদ আহসান, কামরুল হাসান বাদল, মঞ্জুর রহমান ও মনিরুল মুনির।
আমন্ত্রিত আবৃত্তিকার রণজিৎ রক্ষিত, ফারুক তাহের, শুভ রক্ষিত, বাপ্পী হায়দার, মশরুর হোসাইন, মুজাহিদুল ইসলাম ও ফয়সাল আহমেদের কণ্ঠে ঝঙ্কার তোলে শামসুর রাহমানের শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলো।
প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের সভাপতি রাশেদ হাসান, কঙ্কন দাশ, শর্মিষ্ঠা বড়ুয়া, মোহিত বিশ্বাস, এটিএম সাইফুর রহমান, রুনা চৌধুরী, নাজমুল আলিম সাদেকী সুমন, জোবায়ের জুয়েল, রাজু দাশগুপ্ত, আফরিন নিগার পুষ্প আবৃত্তি করেন শামসুর রাহমানের কাব্যসমগ্র থেকে বাছাই করা কবিতা।
‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’ কবিতা দু’টির যুগল আবৃত্তি করেন প্রমার শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তি কর্মশালার প্রশিক্ষণার্থীরা।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রমার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাল।
বাংলাদেশ সময় : ২০৪২ ঘণ্টা, আগস্ট ১৭, ২০১২
এআরএম/সম্পাদনা : জাহাঙ্গীর আলম, নিউজরুম এডিটর/ সুকুমার সরকার, কো-অর্ডিনেশন এডিটর
Kumar.sarkerbd@gmail.com