 |
ঢাকা: চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের জারি করা দু’টি রুল আগামী ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেছেন আপিল বিভাগ।
এক আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।
৬ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ইতিমধ্যে ১২ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এখন নির্বাচন হবে শুধু অর্ডিনারি গ্রুপে। এ গ্রুপে নির্বাচিত হবেন ১২ জন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন ২২ জন।
এর মধ্যে ১২ নভেম্বর ভোটার তালিকা চ্যালেঞ্জ করে সিজি ফিশারিজের স্বত্বাধিকারী কানিজ ফারজানা রাশেদের এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি হাছান ফয়েজ সিদ্দিকী এবং এবিএম আলতাফ হোসেনের বেঞ্চ ৩০ দিনের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেন। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা কেন সংশোধন করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, ট্রেড অর্গানাইজেশনের পরিচালক, চেম্বার নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান, চেম্বার নির্বাচনী আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
ওই রিট ছাড়াও বিচারপতি মোয়াজ্জাম হোসেন ও বিচারপতি হাবিবুল গণির হাইকোর্ট বেঞ্চে চট্টগ্রাম চেম্বার নিয়ে আরো একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটের প্রেক্ষিতেও হাইকোর্ট রুল জারি করেন।
কানিজ ফারজানা রাশেদের আইনজীবী এম এ হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন নিয়ে হাইকার্টে দুইটি রিট বিচারাধীন ছিল। দুই রিটে রুল জারির পাশাপাশি একটি রিটে নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশনা ছিলো। উভয় রিটের আদেশ স্থগিতাদেশের চেয়ে আপিল করেন চেম্বার কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে রুল নিষ্পত্তি করতে বলেছেন।’’
তিনি বলেন, ‘‘এ আদেশের ফলে ওই দুই রিটের রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই নির্বাচন স্থগিত থাকবে।’’
আদালতে কানিজ ফারজানা রাশেদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট এম এ হান্নান। চট্টগ্রাম চেম্বারের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক উল হক ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৯ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৯, ২০১২
এমইএস/ সম্পাদনা: অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর