 |
| ছবি: সায়মন/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: বেসামরিক বিমান পর্যটন মন্ত্রী কর্নেল (অব.) ফারুক খান জানান, “অল্প সময়ের মধ্যে সরকার হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরের দ্বিতীয় রানওয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় আলোচনার কাজ শুরু হয়েছে। আমরা পরামর্শক নিয়োগ করবো। সবকিছু ঠিকাঠাক থাকলে আগামী ১/২ মাসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে। পাশাপাশি তৃতীয় টার্মিনাল করারও পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।”
রোববার দিনগত রাত ১২টার দিকে বিমান বন্দরের এসফল্ট কংক্রিট আস্তরণের কাজ পরিদর্শন করতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, “সময়ের প্রয়োজনে এখন দ্বিতীয় রানওয়ে নির্মাণ করার প্রয়োজনীতা দেখা দিয়েছে।”
বিমান বন্দরে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি বিমান ওঠানামা করছে সেই সঙ্গে বাড়ছে যাত্রীর সংখ্যাও। আর তাই বর্তমান সরকার বিমান বন্দরে বিমান ওঠানামার সুবিধার্থে দ্বিতীয় রানওয়ে নির্মাণ করবে বলে জানান তিনি।
বর্তমান সরকার জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে কাউকে ঠকায় কী না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পদ্মা সেতুতে জমি অধিগ্রহণের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে কাউকে ঠকায় না। পদ্মা সেতুর জন্য জমি অধিগ্রনের ক্ষেত্রে সরকার কাউকে ঠকায় নি। দ্বিতীয় রানওয়ে নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রেও সরকার কাউকে ঠকাবে না।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “দীর্ঘদিন এসফল্ট কংক্রিটের কাজ না করার ফলে বিমান বন্দরটি ঝুঁকিপূর্ণ বিমান বন্দরের তালিকায় উঠেছিল। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকা থেকে এ বিমান বন্দরের নাম উঠে গেছে। আমরা বিমান বন্দরটিকে আরো উন্নত করতে চাই। এ লক্ষে এসফল্ট কংক্রিট আস্তরনের কাজ শুরু হয়েছে।”
তিনি জানান, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে এই আস্তরণের কাজ করছে দেশি প্রতিষ্ঠান আবুল মোমেন লিমিটেড।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, “দেশিয় প্রযুক্তি হলেও তারা এসব কাজে দক্ষ, আমরা তা যাচাই করেই কাজ দিয়েছি। এর আগেও প্রতিষ্ঠানটি এ কাজ করেছে।”
মে মাস নাগাদ এ আস্তরণের কাজ শেষ হবে বলে জানান তিনি। এছাড়া এ কাজ হয়ে গেলে আগামী ১০ বছরের আর এই কাজ করতে হবে না বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, “শুধুমাত্র এ কাজের জন্য বিমান বন্দরে রাত ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ রয়েছে।”
প্রসঙ্গত বিমান বন্দরের রানওয়েতে নিরাপদে বিমান ওঠানামা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে বর্তমানে এসফল্ট কংক্রিট ওভারলে করণের কাজটি হাতে নেওয়া হয়েছে। আর এ কাজে ব্যয় হচ্ছে ২শ’ কোটি টাকা।
এ সময় তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মাহমুদ হোসেনসহ কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ সময়: ০৪৩২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২১, ২০১৩
আইএ/সম্পাদনা: মীর সানজিদা আলম, নিউজরুম এডিটর