 |
ঢাকা: অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে মাছ ও সবজির বাজার প্রতিদিনই উত্তাপ ছড়াচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্বেও বিক্রেতারা পাইকারি বাজারে দর বেশির অজুহাত দেখিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন মাছ ও সবজি। রাজধানীর কারওয়ানবাজার, নিউমার্কেট, জিগাতলা, মোহাম্মদপুর ও গুলশান কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সিমের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাউ ৫০, ফুলকপি ৩৫ ও বাধাকপি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বেগুন কেজিপ্রতি ৪৫-৫০, টমেটো ৮০, কাঁচা মরিচ ৮০, করলা ৫০, ঢ্যাড়স ৪০, গাজর ৪৫, মূলা ৫০, কচুর লতি ৪০, কচুর মূখি ৪০, কাঁকরোল ৩০ ও ঝিঙা ৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নিউমার্কেট কাঁচাবাজারে বড় সাইজের প্রতিকেজি শিং মাছ ১ হাজার টাকা, মাঝারি ৭০০ টাকায় ও মাগুর মাছ কেজিপ্রতি ৫০০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।এছাড়া প্রতিকেজি বড় রুই ৩০০, তেলাপিয়া ১২০-১৩০, কই ২০০-২১০, বড় কাতল ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বড় গলদা চিংড়ি কেজি প্রতি ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা, মাঝারি আকারের গুলো ১হাজার ১০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজারে তুলনামূলকভাবে ইলিশের দাম কম। ১ কেজি ২ শ গ্রাম ওজনের ১ জোড়া ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকায়।
তবে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ৩২ টাকা ও ভারতীয় ২৪ টাকা, রসুন দেশি ৬০ ও চায়না ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের দাম কমেছে। লাল ডিমের হালি ৩৮, সাদা ৩৮, দেশি ৪২ ও হাঁসের ডিম ৪৪-৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ।
সব ধরনের ডালের দাম কমেছে। মশুর ডাল কেজি প্রতি ৫ টাকা কমে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খেসারি ৫৫, বুট ১১০, মুগ ১২০ ও ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ৮৫ টাকা দরে।
চালের দাম গত কয়েক মাস ধরে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে পোলাওর চালের দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে। প্রতিকেজি চিনি গুড়া ও কালি জিরা বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা দরে।
মাংশের বাজারও স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, গরুর মাংস ২৮০ ও খাসির মাংস ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
খোলা সয়াবিন তেল কেজি প্রতি ১৩২ টাকা এবং ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ৬৬০ টাকা থেকে ৬৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৬ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২২,২০১২
এমআইএস/সম্পাদনা: শাহেদ হোসেন; এনএস