বরিশাল: বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল মর্গ থেকে লাশ ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার সময় ৪ যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- ইমরান হোসেন, জোবায়ের, শাহরিয়ার শাকির ও সাইফুল ইসলাম তুহিন।
হাসপাতালের লাশ বহন কাজে নিয়োজিত লাল মিয়া বাংলানিউজকে জানান, বিকেলে গলায় ফাঁস দেওয়া এক যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। যেহেতু অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে তাই ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ হাপাতালের মর্গে রাখা হয়।
অথচ সন্ধ্যার দিকে তিন যুবক এসে লাশ নিয়ে যেতে চান। প্রশাসনের অনুমতি ব্যতীত ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দিতে না চাইলে তারা মর্গের তালা ভেঙে লাশ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
এর আগেই পুলিশে খবর দেওয়া হলে তারা এসে ওই তিন যুবককে আটক করে।
আটক যুবকরা হলেন মিঠুন দাসের বন্ধু ইমরান হোসেন, জোবায়ের ও শাহরিয়ার শাকির।
এ সময় অপর এক যুবক ওই তিনজনকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও আটক করা হয়। তার নাম সাইফুল ইসলাম তুহিন।
মিঠুন দাসের বন্ধু ও পরিবারের রাত দিয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান বাংলানিউজকে জানান, সকালে মায়ের কাছে টাকা চান বরিশাল সরকারি কলেজের স্নাতক শ্রেণির ছাত্র মিঠুন দাস (২৮)।
কিন্তু মা টাকা না দেওয়ায় তার ওপর অভিমান করে দুপুরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দেন মিঠুন। পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মিঠুন ট্রাফিক সার্জন মানিক দাসের পুত্র। পরিবারের সঙ্গে নগরীর বিএম স্কুল রোড জলিল দেওয়ানের ভাড়া বাড়িতে থাকতেন তিনি।
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আটকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।
বাংলাদেশ সময়: ১৫০১ ঘণ্টা, মে ০৬, ২০১২
কাওছার হোসেন / সম্পাদনা: সাইফুল ইসলাম, কান্ট্রি এডিটর