ঢাকা: জীবন বীমা খাতে বেসরকারি বীমা কোম্পানিগুলোর উপার্জিত প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে ৯.০৫ শতাংশ। গত ২০১০ সালে এ আয় ছিল ৫ হাজার ৫০৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা যা ২০১১ সালে ৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়।
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। বুধবার হোটেল পূর্বাণী ইন্টারন্যাশনালে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিআইএর সভাপতি শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাধারণ সভায় উপস্থাপিত বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সাধারণ বীমা খাতে প্রাইভেট বীমা কোম্পানিগুলোর মোট প্রিমিয়াম আয়ের পরিমাণ ২০১০ সালে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৮৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা যা বৃদ্ধি পেয়ে ২০১১ সালে দাঁড়ায় ১ হাজার ৭,২৭ কোটি ৪১ লাখ টাকায়। এ আয় বৃদ্ধির পরিমাণ ১৬.০৬ শতাংশ।
বেসরকারি জীবন বীমা খাতের লাইফ ফান্ড ২০১১ সালে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৩৪৯ কোটি ২৬ লাখ টাকায়। যা ২০১০ সালে ১৩ হাজার ৪৯২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ছিল। বৃদ্ধির পরিমাণ ২১.১৭ শতাংশ।
বেসরকারি জীবন বীমা খাতে ২০১০ সালের বিনিয়োগ ছিল ১১ হাজার ৩১৪ কোটি টাকায়। যা ২০১১ সালে এসে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ২৩২ কোটি ৫৬ লাখ টাকায়। বৃদ্ধির হার ২৫.৮০ শতাংশ।
বেসরকারি সাধারণ বীমা খাতে ২০১০ সালের বিনিয়োগ ১ হাজার ৭১০ কোটি ৭৩ লাখ থেকে বেড়ে ২০১১ সালে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৬১ কোটি ২১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। বৃদ্ধির হার ৩২.১৮ শতাংশ।
এই সভায় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন প্রাক্তন চেয়ারম্যান এম. মঈদুল ইসলাম, মেঘনা লাইফ এবং কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্স’র চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমেদ, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ্ আবুল কাশেম, রূপালী ইন্স্যুরেন্স’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি.কে. রায়, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স’র কনসালটেন্ট এবিএম নূরুল হক, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান মজুমদার, গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স’র অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গ্রুপ সিএফও ফারজানা চৌধুরী, জনতা ইন্স্যুরেন্স’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ফজলুল হক খান, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৪০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২০, ২০১২
জেএনএ/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর