 |
| ছবি : উজ্জ্বল ধর /বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
চট্টগ্রাম: ফটিকছড়ি উপজেলার ১২ ইউনিয়নের ১০ হাজার পরিবার পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। রোপা আমন, মাছ চাষের পুকুর, সবজিক্ষেত, গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি, কাঁচা-পাকা সড়ক, সেতু কালভার্টের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ঢলের তোড়ে বেশ কিছু সড়কের অংশবিশেষ তলিয়ে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি সড়কের কিছু অংশে প্রায় ৩ থেকে ৪ ফুট পানি উঠে গেছে। মাইজভান্ডার-নানুপুর সড়কের মধ্য ভাগের কিছু অংশ বিনাজুরি খালের সাথে মিশে গেছে। ফটিকছড়ি-হারুয়াছড়ি সড়কের সুন্দরপুর ইউপি চেয়ারম্যানের ঘাটায় সড়ক ভেঙে যোগাযোগ হয়ে গেছে। সুয়াবিল ইউনিয়নে জরুরি প্রয়োজনে নৌকা দিয়ে যোগাযোগ রক্ষা করছে এলাকাবাসী।
হালদা নদী ও ধুরুং খাল, সর্তা খাল, বিনাজুরি, গজারিয়া, লেলাং, বারমাসিয়াসহ ছোট বড় ১২টি খালের পানি উপচে দাঁতমারা, বাগানবাজার, নারায়ণহাট, ভুজপুর, পাইন্দং, সুন্দরপুর, রোসাংগিরি, সুয়াবিল, দৌলতপুর, সমিতিরহাট, আবদুল্লাপুর, নানুপুর, ধর্মপুরসহ ১২ ইউনিয়নের ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।
নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ সিকদার বলেন, বন্যার ফলে এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
দাঁতমারা ইউপি সদস্য আহামদ ছাফা জানান, শান্তিরহাট বাজারসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠে গেছে। পরীক্ষাসহ যাবতীয় লেখাপড়া বন্ধ রয়েছে।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ বাংলানিউজকে বলেন, অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢলে ১২ ইউনিয়নের ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। আমরা ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে শুকনো খাবার, চিঁড়া-মুড়ি বিতরণ করছি। আগামী কাল সোমবার বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ২০০ টাকা করে সাহায্য দেওয়া হবে।
উপজেলা চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমি ফটিকছড়ি উপজেলা কার্যালয়ে বসে বিভিন্ন এলাকার খোঁজ নিচ্ছি। জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’
বাংলাদেশ সময়: ১৯২৫ ঘণ্টা, জুলাই ১৫, ২০১২
এআরএম/সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর