ঘুমিয়ে রয়েছ তুমি
ঘুমিয়ে রয়েছ তুমি বাঙলা কোনো প্রবাদের মতো,
কাদাজলে রয়ে গেছে চল্লিশটা শুয়োর এখনো।
তামাটে রাখাল চুপ করে বসেছিল সারাদিন,
দুর্গম ফুলের মতো ছিল আমাদের খেলাচ্ছল
আর তুমি হয়তো-বা খুঁজে পেলে ঘুমের ভিতর
অনেক তুলোর বল, ললিপপ, অজস্র কনডম!
জলতলে কৌটাবন্দি সেই নিশিভ্রমরের মতো
জেগেছ কে তুমি, হায়, পরিত্রাণ? দৌড়, দৌড়, দৌড়,
ঝাউবন আরো নীল হয় আমাদের দৌড় দেখে?
পরাভব মেনে নিয়ে আজ আমি কেলি-ময়ূরের,
এদিকে ঘুমাচ্ছ তুমি, একে একে ঘোটকীরা এসে
ঠাণ্ডা হাতে শাদা ব্লাউজের হুকগুলো স্পর্শ করে,
কেঁপে কেঁপে তারপর শ্যামজ্বর গায়ে নিয়ে তারা
ভাসে গণ্ডোলায়, মৃত্যু এসে ঢোকে আবার গোলাপে।
রসাতল
তোমার কেশরাশির মধ্যে মেঘমালা, ভ্রূযুগলের ভেতর খেলা করে
বিধি ও নিষেধ।
কোনও দ্রুতগামী ভল্লুকরাজের জন্যে চিরদিন অপেক্ষা তোমার,
আমি তার স্তব রচি, নীরবে বহন করি প্রশ্ন আর ফলরাশি।
আর সরে থাকি, সরে সরে থাকি, যাতে মৃত্যু ফিরে আসে ছায়ার ভেতরে।
এই মুঞ্জতৃণ নির্মিত মেখলা পরে থাকো কিছুক্ষণ। শেষদৃশ্যে মৃদু হাসো।
অচঞ্চল মন নিয়ে আমি যেন রসাতলে নামি।
বাংলাদেশ সময়: ১৬১০ ঘণ্টা, আগস্ট ১৭, ২০১২
সম্পাদনা: এম জে ফেরদৌস