 |
ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দিয়ে লেনদেন চলেছে। ইসলামী ও সমমনা ১২ দলের ডাকা হরতালের দিনে ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতিও ছিল কম।
দিনশেষে ডিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক ৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৭৪ পয়েন্টে।
টানা দরপতনের পর এ সপ্তাহে বাজারে কিছুটা উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করে। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ইতিবাচক এ ধারা অব্যাহত থাকছে না বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সূচকের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দিয়ে লেনদেন শুরু হয় এবং প্রথম দেড় ঘণ্টায় সূচক বেড়ে দিনের সর্বোচ্চ অবস্থান ৪ হাজার ২১৭ পয়েন্টে ওঠে আসে। এরপর শুরু হয় নেতিবাচক প্রবণতা। সকালের দিকে সূচকের বৃদ্ধি দেখে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির চাপ বেড়ে যায়। এতে সূচক পড়তে শুরু করে এবং দিনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। দিনশেষে মোট আর্থিক লেনদেন হয় ২২৫ কোটি ৮৯ সলাখ ৮৬ হাজার টাকা। লেনদেন হওয়া ২৬৪টি কোম্পানির মধ্যে দর বাড়ে ১২৫টির কমে ১০৯টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৩০টি কোম্পানির শেয়ার দর।
এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো, ইউনিক হোটেল, জিপি, কেয়া কসমেটিক, জিবিবি পাওয়ার, সামিট পাওয়ার, বেক্স ফার্মা, এনভয় টেক্সটাইল ও এনবিএল।
দর বাড়ার শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হচ্ছে- কেয়া কসমেটিক, জিবিবি পাওয়ার, মডার্ন ডাইং, বেক্সিমকো, রেনউইক জজ্ঞেস্বর, এ্যাপেক্স ফুড, রেনেটা, ইবনে সিনা, কর্নফুলী ইন্স্যুরেন্স ও ইস্টার্ন ব্যাংক এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
দর কমার শীর্ষে কোম্পানিগুলো হলো- ষষ্ঠ আইসিবি, বঙ্গজ, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ফার্স্ট, এ্যাটালাস বাংলাদেশ, আইসিবি এএমসিএল ২য়, যমুনা ব্যাংক, এ্যাপেক্স স্পিনিং, এমটিবিএল, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ২৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭৫৫ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে আর্থিক লেনদেন হয়েছে ৫৮ কোটি ৮০ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। লেনদেন হওয়া ১৭৮টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির কমেছে ৯১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ার দর।
বাংলাদেশ সময়: ১৫১০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২০, ২০১২
জেএনএ/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর