১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, শুক্রবার মে ২৪, ২০১৩ ৬:৩৯ পিএম BDST banglanew24
23 Aug 2012   02:47:58 PM   Thursday BdST
E-mail this

ভাড়া বাসায় বসবাস


প্রণব মজুমদার
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ভাড়া বাসায় বসবাস

বাসা আর বাড়ি। আছে পার্থক্য নিশ্চয়ই। যা নিজের নয় এবং অর্থের বিনিময়ে যে স্থানে ‘পরাধীনভাবে’ থাকতে হয় তা হলো বাসা। যেটা নিজের এবং স্থায়ী তাই বাড়ি। জীবনের প্রায় সারাবেলায় প্রথমটির সঙ্গেই আমার ভালোবাসা। সে ভালোবাসা বোধ হয় আর শেষ হবে না।

জন্ম আমার ১৯৬৩ তে, চাঁদপুর শহরে। শৈশব কেটেছে কোড়ালিয়া রোডে রমেশ দত্তের বাড়িতে। রমেশ দত্ত এবং নিমাই দত্ত। দুই ভাই। আজ পৃথিবীতে উভয়েই নেই। রমেশ বাবু লেডি প্রতিমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আর নিমাই বাবু পাল বাজারের মুদি দোকানদার। নিমাই বাবুর অংশে টিনের চৌচালা ঘরে আমাদের বিশাল পরিবারের দিনরাত্রি। মানে ভাড়া বাসায় বসবাস। সেই থেকে বাসার সঙ্গে আমার পরিচয়।
 
ভাড়া বাসায় পরাধীন জীবনের উপলব্জি আমার বেশ। স্কুল জীবনের সেইসব দিনগুলো। কষ্টের সেই স্মৃতির কত্তো কথাই না মনে পড়ছে। ভাড়া বাসার সেই লাঞ্ছনাগুলো আজো কুরে কুরে খায়। নিমাই এবং রমেশ বাবুর ছিলো অহি-নকুল সম্পর্ক। তার রেশ পড়তো আমাদের ওপর। রমেশ বাবুর বাড়ির সামনের পুকুরে দু’টি বিশাল পাকা ঘাট। মাঠের পাশের ঘাটটি এলাকার প্রায় সবাই ব্যবহার করে। বাড়ির ভেতরেরটি ব্যবহৃত হয় রমেশ দত্তের পরিবার ও তার কাছের মানুষের দ্বারা। এ ঘাটে গেলে রমেশ বাবু ও তার লোকজন বেশ অপমান করতো।
আমাদের ঘরের পাশে ছিলো ফল এবং ফুলের গাছ। তাতে স্পর্শ করা বারণ ছিলো। রমেশ বাবুর আঙ্গিনা দিয়ে আমাদের হাঁটা নিষেধ। গাছের ফল পড়লে তা দিয়ে আসতে হতো। পুকুর থেকে বড়শি দিয়ে মাছ ধরলে রমেশ বাবু মাছ কেড়ে নিতেন এবং বড়শি ভেঙ্গে দিতেন। কারণে এবং অকারণে রমেশ বাবু আর নিমাই বাবু এবং তাদের লোকজনের হাতে আমাদের কম নির্যাতন ও হেনস্থা হতে হয়নি।

১৯৭২ সালের কথা। ৬ বোন এবং ৪ ভাই আমরা। সঙ্গে ছিলো বড় কাকুর ৪ ছেলেমেয়ে। রীতিমতো চাঁদের হাট। বড় ও মেঝ ভাই পাশের ভূঁইয়া বাড়ির বিশাল ঘরে থেকে পড়াশোনা করেন। কাঁচা মাটির ঘর। তখনো বিদ্যুৎ এখানে আসেনি। হ্যারিকেন এবং কুপি বাতি হচ্ছে আঁধারের আলো। স্থান সংকুলান হয় না। তাই খুড়াতো বোনসহ কয়েক দিদিকে ঘরের ওপরে কাঠের চালায় নিদ্রা যেতো হতো। নিমাই বাবু এ নিয়েও আপত্তি করতেন।
বাবা কালী কৃষ্ণ মজুমদার পেশায় ছিলেন দন্ত চিকিৎসক। পাল বাজারের বকুলতলায় উকিল বিমল বোসের বৈঠকখানা ছাড়িয়ে ওনার ডাক্তারখানা। নীলিমা ডেন্টাল হল। এ চিকিৎসালয়ে বড় কাকু মানে অনাথবন্ধু মজুমদার বাবার সহকারী। অভাবী এবং অসহায় রোগীদের প্রায় সময়ই বিনে পয়সায় চিকিৎসা দিতেন বাবা। যা উপার্জন করতেন তার অধিকাংশই খরচ করে ফেলতেন মাছ কেনায়। বাসায় অতিথি লেগেই থাকতো। তাদের অকস্মাৎ আগমনের কারণে মা নীলিমা মজুমদারকে অনেক সময় অভূক্ত থাকতে দেখা যেতো। বাসায় অতিথি পাঠানো এবং সংসারের দায়িত্বে অমনোযোগী বাবাকে নিয়ে আমাদের শিক্ষাব্রতী মায়ের অনুশোচনা প্রায়ই লক্ষ্য করতাম।

স্কুল ও কলেজে পড়া ১৪টি ভাইবোনের খরচ যোগাতে মার বেশ গলদগর্ম হতো। তার মধ্যে মাসিক বাসা ভাড়া ৩৫ টাকা জোগাড় করা ছিলো বেশ কষ্টসাধ্য। চালের কুড়া, জ্বালানির কয়লা, পুরানো কাপড় ও বাসন-কোসন এবং পাটের প্রস্তুত পণ্য তৈরি করে তা বিক্রি করে মা বাসা ভাড়া থেকে শুরু করে সংসারের যাবতীয় খরচ একাই সামলাতেন। দিবারাত্রি কঠোর কায়িক পরিশ্রম করে মেজ ভাইকে ডাক্তারি পড়ানোর ভিত্তি রচনা করেছিলেন।

১৯৭৬ সালের কোনো এক সময় আমরা দত্তবাড়ি ছেড়ে চলে যাই পুরাণ আদালত পাড়ার পুলিশ সেকশনের পূর্ব পাড়ে। ননী গোপাল দাস অর্থাৎ ননী দারোগার বাসায়। ননী বাবু মারা গেছেন। তার ছেলেরা বাড়িটি বিক্রি করে দিয়ে ভারত চলে গেছে। নতুন মালিক পুরান বাজারের সুলতান মিয়ার কাছে থেকে আমরা ভাড়া নিয়েছি। কাঠের মজবুত বেশ বড় আয়তনের দু’টি টিনের ঘর। কিন্তু সে চালা অতি পুরাতন। কয়েকটি স্থান ছিদ্র হয়ে গেছে। বর্ষাকালে ঘরের মধ্যে জল পড়ে। মা প্রতিমাসে ১৫০ টাকা ভাড়া দেবার সময় বাড়িওয়ালাকে সে বিড়ম্বনার কথা জানালেও তিনি আমাদের অসুবিধায় কর্ণপাত করেন না।

এ বাড়িতে আরো ৪টি পরিবার আমাদের মতো ভাড়াটিয়া। একটি খোলা স্নানের জায়গা, ২টি কাঁচা পায়খানা এবং একমাত্র পুকুর ঘাট থাকায় ভাড়াটিয়াদের মধ্যে সমস্যা লেগেই থাকতো। এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হতো। বড়দা আর মেজদা আইনবিদ্যা এবং চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চতর শিক্ষা নিতে এরিমধ্যে ঢাকায় পাড়ি দিয়েছেন। ফলে আমাদের বাসায় ২ জন সদস্য কমে গেলো।

চাঁদপুর মহকুমা শহরের মতলব থানার নারায়ণপুর ইউনিয়নাধীন কাশিমপুর গ্রামের অতি বিশাল আমাদের মজুমদার বাড়ি। বাড়ির এক অংশে ছোট কাকা ছেলেমেয়েদের নিয়ে থাকেন। শহরে থাকায় মায়ের নামে থাকা বিশাল সম্পত্তি এবং বাবা কাকাদের অনেক জমি দখল করে আছেন প্রভাবশালীরা। চাষের জমি বর্গা দেয়া রয়েছে।

একান্নবর্তী পরিবারে অপর উপার্জনকারী বড় কাকা মাদকাসক্ত। টাকা পয়সা নষ্ট করে ফেলেন। সংসারে এ নিয়ে অশান্তি বিরাজ করছিলো। কাকীর পরামর্শে বড় কাকা ভিন্ন হয়ে গেলেন। একসময় বড় বোনের বিবাহ ঠিক হলো। আমি এবং ছোট ভাই বয়সে এসময় ছিলাম নাবালক। বোনের বিবাহের খরচ সংগ্রহের অজুহাতে বড় দু’ভাই আমার ও ছোটের অংশ না রেখে বাবার সম্পত্তি একেবারে নামেমাত্র দামে বিক্রি করে দেন। দত্তবাড়ি এবং আদালতপাড়ার পর আলীমপাড়ার ২টি এবং মেথা রোডস্থ মুখার্জ্জী ঘাটের ১টিসহ মোট ৫টি বাসায় আমাদের মজুমদার পরিবার বাস করে। অন্যান্য সদস্যের মতো চাঁদপুরের এসব ভাড়া বাসায়ও আমার জীবন কেটেছে।

১৯৮০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের জন্য ঢাকায় চলে আসি। সেই সময় পথ চলতে অক্ষম বাবা, মা, ৪ ভাই এবং ৪ বোনকে নিয়ে একত্রেই ছিলাম আমরা। কিন্তু ১৯৮৯ মালে বাবা মারা যাওয়ার পরপর ডিএন স্কুলের পাশের গলি আলীমপাড়ার সোহাগ মঞ্জিলের বাসায় বিবাহিত বড় ও মেজ ভাইয়ের মধ্যে শুরু হয় কলহ।

অপেক্ষাকৃত বেশ সচ্ছল হওয়ার কারণে অতি লোভী এবং হিংসা ও স্বার্থপরায়ন মেজ ভাইয়ের পরিবার মজুমদার পরিবারের উচ্চ শিক্ষিত এ পরিবারকে তছনছ করে দেয়। পরিবারের অধিকাংশ বোনদের পাত্রস্থ করা এবং আমার ও ছোট বোনের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার ব্যাপারে ব্যাপক অবদান ছিলো মেজদার। কিন্তু কালসাপরূপী মেজ বৌদির দুরভিসন্ধি শুরু হয় সোহাগ মঞ্জিলের এ বাসা থেকে। স্ত্রৈণ মেজ ভাইয়ের কারণে বড় ভাই এরিমধ্যে আলাদা হয়ে গেলেন। শহরের নামকরা সরকারি দন্ত চিকিৎসক মেজ ভাই জোড়পুকুর পাড়ে জমি কিনে ৪ তলা ভিত্তি দিয়ে একাধিক ভবনের ইমারত নির্মাণ করেন।

এ নির্মাণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে ছোট ভাই ও ৫ নম্বর বোনের ঠিকাদার বর যুক্ত ছিলো। বড় ও ছোট ভাই এবং নিকট আত্মীয়রা ভেবেছিলেন ডাক্তার বাবুর এ ইমারতে আমাদের ৪ ভাইয়ের স্থায়ী ঠিকানা হবে। আনন্দে আটখানা ছিলো বড় ও ছোটও। ৩ ভাই নিমার্ণাধীণ এ বাড়ির অজুহাতে সম্পূর্ণ একক প্রচেষ্টায় ঠিক করা আমার বিবাহে উপস্থিত হননি।

এ ষড়যন্ত্রের পেছনে ছিলেন মদ্যপ ও উশৃংখল পিতার একমাত্র কন্যা মানে আমার মেজ ভাইয়ের আদুরে স্ত্রী। অপরের ভালো না দেখা, স্বাবলম্বী ও অপেক্ষাকৃত অসচ্ছলদের হিংসা করা এবং মানুষকে মানুষ মনে না করা যার স্বভাব সেই মেজ বৌদি ও মেজদার ষড়যন্ত্র আজো অব্যাহত রয়েছে। ছোট ভাইকেও তাদের আশ্রয় থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। আর আমিতো উচ্চতর শিক্ষার জন্য ১৯৮০ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল জীবন, মেস লাইফ এবং দাম্পত্য জীবনে ভাড়া বাসায় জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়ে দিলাম।

আমার রত্নগর্ভা মা এদ্দিন চাঁদপুর শহরের জোড়পুকুর পাড়ে কোটিপতি মেজ ভাইয়ের বাড়িতে ছিলেন। মার দর্শন হচ্ছে ছেলের নিজের বাড়ি মানেই স্বামীর ভিটেমাটি। এখানে বয়স্কা মায়ের ব্যবহার উপযোগী ইংলিশ কমোড ছিলো। তাছাড়া বাড়িতে স্বাধীনভাবে পূজা অর্চনা করা এবং ৮৫ বছরের এই বৃদ্ধ বয়সে স্বামীকে স্মরণ করে ইহলোক ত্যাগ করা নিরাপদ। কিন্তু মা’র সে স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে ক’দিন আগে। নিত্য নির্যাতনকারী বউয়ের প্ররোচনায় পর্যাপ্ত কাজের লোকের অজুহাত দেখিয়ে অসুস্থ মাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন আমার পরম শ্রদ্ধেয় মেজ ভাই।

যে ছেলেকে মা সারাজীবন বেশি ভালোবেসে ডাক্তার বানিয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠা দিয়েছেন সেই ছেলেই তাঁকে এমন লাঞ্ছনা দিল এ অসহায় বয়সে? মা যেন ফুটবল। ছোট ভাইয়ের বাসা হয়ে এখন তিনি বড়দার বাসায়। এরপর মা কোথায় যাবেন অনিশ্চিত। মা আবার ভাড়া বাসার অতিথি হয়ে গেলেন। একটি কাজের মেয়ের সন্ধান পেলে মাকে আমি নিয়ে আসবো আমার গৃহে। হোক না তা ভাড়া বাসায়। তবে অতিথির বেশে নয়, আমার সারা জীবনের প্রেরণাদাত্রী যোগ্যা জননী হিসেবে। উপদেশক হিসেবে।

নিশ্চিত ভবিষ্যতের আশায় স্থায়ী একটি ঠিকানা বিনির্মাণের অভিপ্রায়ে চেষ্টা করছি ৮ বছর ধরে। রাজউক তো তেলের মাথায় তেল দেয়। প্রকৃত ভূমিহীন অথবা ঠিকানাবিহীনদের আবাসন ব্যবস্থা না করে বাড়ি, প্লট বা ফ্ল্যাট আছে এমন ক্ষমতাবান মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, আমলা ও ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতে ব্যস্ত রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। শুধু সাংবাদিক পেশাধারীদের মাত্র ২ শতাংশ কোটা বরাদ্দ!

ঢাকায় ১৯৯৯ সাল থেকে বিবাহিত জীবনে বর্তমানটি নিয়ে মোট ৪টি বাসায় বাস করছি। কর্পোরেট কর না দেয়ার কৌশল হিসেবে বাড়িকে নির্মানাধীন দেখিয়ে ভবন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার ঢাকার বাড়িওয়ালাদের তিন দশকের অভ্যাস। ভাড়ার রশিদ না দেয়া, ব্যবহারের অনুপযোগী জিনিস মেরামত করে না দেয়া, বেআইনিভাবে একাধিক মাসের অগ্রিম গ্রহণ এবং একটু কিছু হলেই বাসা ছাড়ার নোটিশ দেয়া-- এসব বিড়ম্বনা রাজধানীতে বসবাসকারি ভাড়াটিয়াদের গা সওয়া হয়ে গেছে। অতিরিক্ত মুনাফালোভী এসব বাড়িওয়ালাদের ভাবা উচিত যাদের টাকায় তাদের শান-শৌকত, সেসব ভাড়াটিয়াদের ‘মিসকিন’ মনে করা ঠিক নয়? দীর্ঘসময় ধরে আমি গোপীবাগে থাকছি। আগে যে বাসায় ভাড়া থাকতাম সে বাড়িওয়ালার শেকড় পশ্চিমবাংলার মুর্শিদাবাদে। ১৯৬৬ সালে ঢাকায় তাদের আগমন। সড়ক ও জনপথ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, গণপূর্ত বিভাগ এবং সিটি কর্পোরেশনের ঠিকাদার বাড়িওয়ালার বয়স ছিলো ৩৫। ২০০৬ সালে এ বয়সে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে ৩টি বাড়ির মালিক! বাড়িওয়ালা থাকেন পাশের বাড়িতে। আমরা তার যে বাড়িতে ভাড়া থাকতাম সেটা ছিলো তৃতীয় তলা। ছাদ ব্যবহার নিষেধ। নিচ তলায় আমরা এবং বাড়িওয়ালার বড় ভাই তৃতীয় তলায় থাকেন। তিনি নাকি এলাকার মাস্তান ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একসময় বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বেশ অভিযোগ ছিলো। প্রাক্তন ওয়ার্ড কমিশনার বড় ভাই কিছু করেন না। এখন তিনি সরকারি দলের বিশাল নেতা। বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রায় সময়ই বাড়িওয়ালার কেয়ারটেকারের সঙ্গে ঝগড়া হতো আমার। ৩ কক্ষ বিশিষ্ট বাসার মাসিক বিদ্যুৎ বিল ১১০০ টাকা! বাইরের মিস্ত্রি দিয়ে মিটার চেক করার ক্ষেত্রে বাড়িওয়ালার নিষেধাজ্ঞা আমার কৌতুহল বাড়িয়ে দেয়। গোপনে পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা গেলো একসময়কার জনসেবক বড় ভাইয়ের এসির সংযোগটি আমাদের ব্যবহৃত মিটারটির সঙ্গে। প্রতিবাদ করায় নোটিশ দেয়া হলো বাসা ছাড়ার।

হাফ সেঞ্চুরির কাছাকাছি থাকা এ জীবনের ভাড়া বাসার বিড়ম্বনার কথা শেষ হবে না। দিন পনরো আগে ছোট ভাইয়ের বাসায় যখন মাকে বললাম ২০১৫ সালের মধ্যে ঢাকায় উত্তরার কাছাকাছি পোলারটেকে ফ্ল্যাট পাবো তখন মার প্রশ্ন-- আমি দেখে যেতে পারবো তো?

এমন প্রশ্ন আমার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তাদের কাছে। মার জীবনে না হোক, জীবদ্দশায় কি একটি স্থায়ী ঠিকানার সন্ধান মিলবে আমার? ভাড়া বাসার বিড়ম্বনা কি শেষ হবে এ জীবনে? এর উত্তর কোথায় পাবো ?

লেখক সাহিত্যিক ও অর্থনীতি বিষয়ের সাংবাদিক
reporterpranab@gmail.com

বাংলাদেশ সময়: ১৪৩৬ ঘণ্টা, ২৩ আগস্ট, ২০১২
সম্পাদনা: আহ্‌সান কবীর, আউটপুট এডিটর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Bookmark and Share
REVE Systems
VISA Center Inc
Holy Hajj BD
RehabHousing.com

মুক্তমত

8877
Kaspersky Lab - Antivirus Software [ Bangladesh ]
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম | এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১, ৮৪০২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ নিউজ রুম সেল: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, editor.banglanews@gmail.com, editor@banglanews24.com    বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম    এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন    কপিরাইট © 2013 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত    একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান