ডামি নয়, আমিই পাঁচতলা থেকে মাটিতে ঝাঁপ দিলাম : অনন্ত
ফাহিম ফয়সাল বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আমাদের মূলধারার চলচ্চিত্রের চলতি ভগ্নদশার কথা নতুন করে বলার আর কিছু নেই। সিনেমা হল থেকে দর্শক মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র নির্মাণের সংখ্যা এখন তলানীর পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। ঢালিউডের এই মুমূর্ষ অবস্থার মধ্যেও হঠাৱ কিছু ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জ্বালিয়ে রাখে আশার বাতি।
ঢালিউডের এই সংকটকালে একসময়ের ডাকসাইটে প্রযোজকরা যখন বিগবাজেটের ছবি নির্মাণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, ঠিক তখন কোটি টাকা বাজেট নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে এগিয়ে এসেছেন প্রযোজক ও নায়ক এমএ জলিল অনন্ত। ২০১০ সালের এপ্রিলে ‘খোঁজ-দ্যা সার্চ’ ছবিটির মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনার খাতা খুলেন। গতবছর মুক্তি পায় তার প্রযোজনা ও অভিনয়ে রোমান্টিক-অ্যাকশন ছবি ‘হৃদয় ভাঙা ঢেউ’। অনন্তের তৃতীয় ছবি ‘দ্যা স্পীড’ এবার মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১১ মে শুক্রবার একযোগে বাংলাদেশের ২৪টি সিনেমা হল ও মালয়েশিয়ার ৭টি সিনেমা হলে। বিগ বাজেটের ছবি ‘দ্যা স্পিড’ পরিচালনায় রয়েছেন সোহানুর রহমান খান।
প্রযোজক ও নায়ক অনন্ত’র অ্যাকশন ছবি ‘দ্যা স্পীড’ মুক্তির পূর্ব মুহূর্তে বাংলানিউজ তার মুখোমুখি হয়। সেই আলাপচারিতার চুম্বক অংশ পাঠকদের জন্য।
বাংলানিউজ :আপনার প্রথম ছবির নাম ছিলো ‘খোঁজ-দ্যা সার্চ’, এবার এ ছবিটির নাম ‘দ্যা স্পীড’। এর কি বিশেষ কোন কারণ আছে? অনন্ত : আসলে আমার প্রতিটি ছবিতে আমি চেষ্টা করি, কিছু না কিছু ম্যাসেজ দেওয়ার। আমাদের সমাজে ভাল আর খারাপ দুইটি দিক আছে। আমি খারাপকে প্রতিরোধের জন্য দর্শকদের ম্যাসেজ দিতে চাই। ভালো কথা বলতে চাই। আমি এটাও বিশ্বাস করি, যে কোন খারাপ বিষয়ে বা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে গেলে অ্যাকশন ছাড়া তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। যেহেতু আমি বিনোদন ও অ্যাকশনের মাধ্যমে দেশে কারা সন্ত্রাস করে তা দর্শকদের জানাতে চাই, সেহেতু আমার ছবিতে এ নামগুলো দেয়া হয়। আমার অভিনীত ‘দ্যা স্পীড’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন সোহানুর রহমান সোহান।
বাংলানিউজ : আমরা কী তাহলে ধরে নিতে পারি যে, আপনি সবসময় অ্যাকশন মুভি করবেন? অনন্ত : আমার সব ছবি অ্যাকশনধর্মী নয়। গল্পের কারণেই অ্যাকশন মুভি হয়েছে। আর আমি সবসময় অ্যাকশন মুভি করিও না। আমার দ্বিতীয় ছবি ছিলো ‘হৃদয় ভাঙা ঢেউ’। এ ছবিতে একই সঙ্গে রোমান্টিক ও অ্যাকশন ভিত্তিক গল্প ছিল। দেশীয় চলচ্চিত্রের বিকাশে বছরে একটা হলেও সুস্থধারার ছবি বানাতে চাই। দর্শকদেও নতুন কিছু উপহার দিতে চাই।
বাংলানিউজ :পেশাগত জীবনে আপনি একজন ব্যবসায়ী। হঠাৱ চলচ্চিত্রে আসার কারণ কি? অনন্ত : আসলে আমি শখ করে চলচ্চিত্রে আসি নাই। এর একটা বিশেষ কারণ হচ্ছে, আমাদের দেশে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য অনেক প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তারা ঠিক মতো ছবি নির্মাণ করতে পারছেন না। তাছাড়া মানুষ সেই শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পুরোনো ফরমেটের ছবি দেখে আসছে। নতুনত্ব ও বৈচিত্র্যের অভাবে মানুষ এখন দেশীয় ছবি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। সিনেমা হলে যেতে ভুলে গেছে। এর ফলে হিন্দি সিরিয়ালগুলো এ স্থানটি অনেকটাই দখল করে নিচ্ছে। আমাদের প্রযোজকরা ছবি বিনিয়োগ ফেরত না পাওয়ায় হতাশ হয়ে যাচ্ছেন। উন্নতমানের ছবি প্রদর্শনের জন্য যেখানে ডিজিটাল ফরমেটের সিনেমা হল বাড়ানো দরকার , বরং তা না হয়ে দিনের পর দিন সিনেমাহলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটা তো সবাই জানেন। আমাদের চলচ্চিত্রে নতুন কিছু উপহার দেওয়া আর ঘুরে দাঁড়ানোর জন্যই আমি রূপালীপর্দায় ঝুকি।
বাংলানিউজ : এখানে প্রশ্ন আসে যে, আপনি তো শুধু চলচ্চিত্রের পৃষ্ঠপোষকতা করলেই পারতেন, অভিনয়ে ঝুঁকলেন কেন? অনন্ত : আমি যেভাবে একটি ছবি নির্মাণ করি বা করতে চাই, সেভাবে এখনও বাংলাদেশে কেউ ছবি নির্মাণ করেননি। আমার দৃষ্টিতে এ ধরনের ছবিতে অভিনয় করার মত কোন অভিনেতা এখনও আমাদের দেশে তৈরি হয়নি। যেমন, আমার ছবিগুলোতে আমি কোন ডামি ব্যবহার করি না। ছবিতে একদম বাস্তব বিষয়টি আমরা দর্শকের সামনে তুলে ধরি। এর একটা উদাহরণ হচ্ছে বর্তমানে অনন্য মামুন পরিচালিত ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ ছবিটির শুটিং চলছে। সেই ছবিতে আমি নিজে একবার ডামি ছাড়াই ১১ তলা একটি বিল্ডিংয়ের পাঁচতালা থেকে মাটিতে ঝাঁপিয়ে পড়ি। তখন আমার কাঁধে শত্র“পক্ষের একজন ছিলো। একবার চিন্তা করে দেখুন কতটা কঠিন ও ঝুঁকি ছিলো আমার সেই কাজটি। আমাদের দেশে ডামি ছাড়া অভিনয় করার মত সাহস এখনও কেউ করেনি। তাই আমি নিজেই এগিয়ে এসেছি। যাতে করে অন্যরাও এ ব্যাপারে সাহস সঞ্চার করতে পারে।
বাংলানিউজ :ডামি ছাড়া অভিনয় করলেতো যে কোন সময় মারাত্মক রকমের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে, এ ব্যাপারে আপনার মত কি? অনন্ত : দেখুন হলিউডের ছবিগুলোর নায়করা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডামি ব্যবহার করেন না। এতে দর্শক রিয়েল অভিনয়টা দেখার সুযোগ পান। যার ফলে আন্তর্জাতিকমানের সব পুরষ্কার তাদের ঘরে যায়। তারা যদি পারে, চেষ্টা করলে আর ইচ্ছা থাকলে আমরা কেন পারবোনা?
বাংলানিউজ :নতুনদের নিয়ে ছবি বানাবার আপনার কি কোন পরিকল্পনা আছে? অনন্ত : অবশ্যই। আমি চাই নতুনরা ব্যতিক্রমধর্মী ও সাহসী অভিনয় করে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্বমানে পৌঁছে দেবে। নতুনদের মধ্যে আমি ইমন ও নীরবের সঙ্গে এ বিষয়ে কথাও বলেছি।
বাংলানিউজ : দেশীয় চলচ্চিত্রের বিকাশে আপনি এপর্যন্ত কি কি উদ্যোগ নিয়েছেন? অনন্ত : আমার প্রযোজনায় প্রতিটি ছবি মুক্তির আগে আমি একাধিক মতবিনিময় আয়োজন করি। আগের দুটি ছবির মতোই এ ছবি নির্মাণের সময়ই সরকার থেকে শুরু করে মিডিয়া সংশ্লিষ্ট অনেকের সাথেই বসেছি। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী, তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, চিত্রনায়ক ইলয়াস কাঞ্চন, অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, সঙ্গীতশিল্পী মমতাজ প্রমুখ।
বাংলানিউজ : আপনি যে উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছেন, তার মধ্যে কতভাগ সফলতার মুখ দেখেছে বলে মনে করেন? অনন্ত : আমি তো মনে করি, আমার টার্গেট অনুযায়ী আমার উদ্যোগ ১০০% সফলতার মুখ দেখেছে। কারণ আমার প্রথম ছবি ‘খোঁজ-দ্যা সার্চ’ এর প্রায় পুরো বিনিয়োগ উঠে এসেছে। ছবির কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য, সঙ্গীত, লোকেশন, চিত্রগ্রহণ, শব্দগ্রহণ থেকে শুরু করে কোন বিষয়ে আমি আপোস করি না। দেশ সেরা সঙ্গীতশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালকদের নিয়ে আমি কাজ করেছি। তাছাড়া বসুন্ধরার স্টার সিনেপ্লেক্স, বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড, মধুমিতা, সারা দেশের সিনেমা হলসহ বিদেশেও আমার আগের ছবি দুটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আমাদেও প্রডাকশনের ছবিগুলো বাংলাদেশের সিনেমা হলের পাশাপাশি বিদেশের সিনেমা হলগুলোতেও মুক্তি দিচ্ছি।
বাংলানিউজ : আপনার অভিনীত ছবি ‘মোস্ট ওয়েলকাম’-এর এখন শুটিং চলছে। এ ছবির নায়িকা আপনার চলচ্চিত্র জুটি ও স্ত্রী বর্ষা। বর্ষাকে বিয়ে করার সময় আপনি হেলিকপ্টারে চড়ে তাদের বাড়ি গিয়েছিলেন। এটা কি লোক দেখানো, নাকি অন্য কোন কারণ ছিলো? অনন্ত : বর্ষার সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় ২০০৮ সালে এপ্রিলে আমার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। এরপর তার সাথে পরিচয়, ভালোলাগা, প্রেম ও পরবর্তীতে বিয়ে। বর্ষাকে আমি বিয়ে করেছি প্রায় আট মাস হলো। বিয়ের অনেক আগেই আমার ‘খোঁজ-দ্যা সার্চ’ মুক্তি পায়। বিয়ের সময় আসলে শখের বশেই আমি হেলিকপ্টারে চড়ে তাদের বাড়ি গিয়েছি। অন্য কোন কারণ বা উদ্দেশ্য ছিলো না।
বাংলানিউজ : বর্ষা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জানতে চাই? অনন্ত : একজন স্ত্রী ও গার্লফ্রেন্ড হিসেবে বর্ষা আমাকে খুবই ভালোবাসে। সে সবসময় আমার খোঁজখবর রাখে। কোন গুজবে কান দেয় না। এমনকি আমার ব্যস্ততাকেও সে সবসময় মেনে নেয়। ব্যস্ততার বিষয়টি সে বুঝে। তার প্লাসপয়েন্ট হলো সে খুব ভালো রান্না করতে পারে। সত্যি বলতে কী; একজন সন্তানকে তার মা যেভাবে যতœ করে, ঠিক সেভাবেই বর্ষা আমার যতœ নেওয়ার চেষ্টা করে। কো-আর্টিস্ট হিসেবে তাকে আমি দশে দশ দেব।
বাংলানিউজ : অনন্ত-বর্ষার ঘরে নতুন অতিথি কবে আসছে? অনন্ত : না, আপাতত এ ধরনের কোন সংবাদ নেই। এটা নিয়ে এখন আমরা ভাবছি না। যদি এমন কিছু হয় অবশ্যই মিডিয়ার সবাই জানবেন।
বাংলানিউজ : ‘দ্যা স্পিড’ ছবিটি সম্পর্কে আপনার মূলায়ন কি? অনন্ত : প্রযোজক হিসেবে বলবো ছবিটি নিঃসন্দেহে অনেক ভালো হয়েছে। ছবির লোকেশন ভালো, গানগুলো ভালো, ক্যামেরা, শব্দ গ্রহণ থেকে শুরু করে সব কিছুই অনেক উন্নতমানের। তাছাড়া দর্শক ব্যাতিক্রমী কিছু বিষয় এ ছবিতে পাবে। ছবিতে ভিলেনের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় নায়ক আলমগীর। তাছাড়া এ ছবিতে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট খুব ভালোভাবে ফুটে উঠেছে। আর নায়ক হিসেবে বলবো, আমি চেষ্টা করেছি আমার সবটুকু উজাড় করে ছবিতে অভিনয় করতে। আসমান যমিনের মাঝে আমার সবটুকু চাওয়া পাওয়া শুধুই দর্শকের কাছে। দর্শক আমাকে উৎসাহ ও ভালোবাসা দিলে আগামীতে আরও ভালো ছবি নির্মাণ করতে পারবো।
বাংলানিউজ :ব্যবসা আর চলচ্চিত্র নির্মাণ ছাড়া আর কি কি করছেন? অনন্ত : সেই ছোট বেলায় আমার মা মারা যান। তাই পিতা-মাতাহীন বাচ্চাদের কষ্ট আমাকে খুব নাড়া দেয়। তাই এ পর্যন্ত আমি ৩টি এতিমখানা করেছি। সেগুলো হচ্ছে মিরপুর ১০ নং এ একটি, বাইতুল আমান হাউজিংয়ে একটি ও সাভার মধুমতি মডেল টাউনের পিছনে একটি। এ ছাড়াও সাভারের হেমায়েতপুরের ধল্লা গ্রামে সাড়ে ২৮ বিঘার উপর একটি বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণের কাজ শুরু করেছি।
বাংলানিউজ :চলচ্চিত্রে আসার পর এ পর্যন্ত আপনার প্রাপ্তি কতটা? অনন্ত : অনেক প্রাপ্তি আছে। তার মধ্যে আমার টার্গেটের বিষয়টিও আছে। আমার প্রতিটি ছবি দেশের বাইরেও মুক্তি দেয়ার ফলে সে দেশের মানুষ আমাকে ও বাংলাদেশের সিনেমা সম্পর্কে জানতে পারছে। তাছাড়া ‘খোঁজ-দ্যা সার্চ’ মুভিটি বাংলাদেশের নিযুক্ত বিদেশী সব দূতাবাসের কর্মকর্তারা দেখেছেন।
বাংলানিউজ : বিশ্ব চলচ্চিত্রের ধারে কাছে বাংলাদেশের ছবি পৌঁছাতে পারেনি। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের সঙ্গে আমাদের চলচ্চিত্রে প্রধান দূরত্ব কোন জায়গায়? অনন্ত : বিশ্বেও প্রায় সবদেশের ছবিই এখন স্থানীয়ভাবে মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবেও মুক্তি দেয়া হয়। এজন্য তাদের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিদেশীরা ভালোভাবেই চেনে। কিন্তু বাংলাদেশে এটা হয়না। এ জন্য আমাদের দেশে অনেক গুনী অভিনেতা-অভিনেত্রী থাকা সত্ত্বেও বিদেশীরা তাদেরকে চেনে না। এটা খুবই দু:খজনক। এ কারণেই আমার প্রত্যেকটি ছবি দেশের পাশাপাশি বিদেশেও মুক্তি দিয়ে থাকি।
বাংলানিউজ : বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে আপনার আগামী পরিকল্পনা কি? অনন্ত : দেশীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার জন্য আমার নিজেরও আছে অনেক কাজের পরিকল্পনা আছে। এর মধ্যে বর্তমানে আমি কাকরাইলে চলচ্চিত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান তৈরির কাজ শুরু করেছি।
এক নজরে ‘দ্যা স্পীড’ ছবির নাম: ‘দ্যা স্পীড’। প্রযোজক: এম.এ. জলিল অনন্ত। পরিচালক: সোহানুর রহমান সোহান। কাহিনী ও সংলাপ: অনন্য মামুন। সম্পাদনা: একরামুল হক। ক্যামেরা: আসাদুজ্জামান মজনু ও আকাশ ( চেন্নাই)। ফাইট: আরমান, চুন্নু ও উইলিয়াম ( মালেয়শিয়া)। সংগীত: হাবিব, হৃদয় খান, ফুয়াদ ও শওকত আলী ইমন। সংগীত শিল্পী: হাবিব, ন্যান্সি, কণা, হৃদয় খান। অভিনয় শিল্পী: অনন্ত (নায়ক), পারভিন (নায়িকা-মালেয়শিয়া), নানা (রাশিয়ান), মাইক বোস (আফ্রিকা), আটন (মালেয়শিয়া) দীঘি ও নায়ক আলমগীর। পরিবেশনায়: মনসুন ফিল্মস্ ছবিটির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ করা হয়েছে চেন্নাইয়ের প্রাসাদ ল্যাবে।
বাংলাদেশ সময় ১৩১৫, মে ১০, ২০১২ সম্পাদনা : বিপুল হাসান, বিভাগীয় সম্পাদক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।