 |
গাজীপুর: সোমবারের হরতালে গাজীপুর ও টঙ্গীতে বাস পোড়ানো ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে। মামলা তিনটিতে ৭৩ জনকে সনাক্ত করে এবং দু’শতাধিক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম-২ জয়দেবপুর থানায় দু’টি মামলা দায়েরের তথ্য বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাসন সড়কে একটি বিআরটিসি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) আক্রাম হোসেন বাদী হয়ে ৩৩ জনকে সনাক্ত ও ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
একই থানায় ঢাকা-গাজীপুর সড়কের নলজানী এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে একটি বেসরকারি পরিবহন সংস্থার বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম-১ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলায় ২৯ জনকে সনাক্ত ও ৩০/৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করা হয়েছে।
অপরদিকে টঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বাংলানিউজকে জানান, হরতালে তুরাগ পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাসের ড্রাইভার মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে ২০ জনকে সনাক্ত ও ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করে একটি মামলা করেন।
জয়দেবপুর ও টঙ্গী থানায় দায়েরকরা মামলা তিনটি ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের কর হয়েছে। কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, সোমবার হরতাল চলাকালে সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর সদর উপজেলার বাসন সড়ক বাসস্ট্যান্ডে গাজীপুরগামী বিআরটিসি’র একটি একতলা বাসের গতিরোধ করে হরতালকারীরা আগুন ধরিয়ে দেয়।
বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-গাজীপুর সড়কের নলজানী এলাকায় পল্লী বিদ্যুত অফিসের সামনে পিকেটাররা মায়ের দোয়া পরিবহনের বালাকা সার্ভিসের একটি বাসে (নং ঢাকা মেট্রো-জ-১১-১৭১৭) আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ বলছে, যাত্রীবেশের পিকেটাররা ওই ঘটনা ঘটিয়েছে।
বেলা সোয়া দুটার দিকে টঙ্গীর মন্নুনগরে তুরাগ পরিবহনের একটি মিনিবাসে আগুন দেয় হরতাল সমর্থকরা।
এছাড়া হরতালের আগের দিন রোববার সন্ধ্যা সাতটায় ঢাকা-শিমুলতলী রুটের গাজীপুর শহরের নিয়ামত সড়কে জামায়াত-শিবির মিছিল ও সমাবেশ করে রাস্তায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
বাংলাদেশ সময়: ১০৪৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৩
সম্পাদনা: মীর সানজিদা আলম, নিউজরুম এডিটরম,
সুকুমার সরকার, কো-অর্ডিনেশন এডিটর