 |
| ছবি :কাশেম হারুন/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে চারদিনের উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি প্রধান অতিথি হিসেবে এ উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, “সঙ্গীত আমাদের জীবনেরই অংশ। চারদিনের এ উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত উৎসব আমাদের সঙ্গীতের বহমানধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “বইটি পড়ে জানতে পারলাম, বঙ্গবন্ধু দিল্লীতে রাজনৈতিক সফরে গিয়েও সুরসম্রাট মিয়া তানসেনের বাড়ি দেখতে গিয়েছিলেন। তার মনেপ্রাণে ছিলো সংস্কৃতি আর সঙ্গীত।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার পঙ্কজ শরণ বলেন, “বাংলাদেশ সঙ্গীত আর সংস্কৃতিচর্চার দেশ। চারদিনের এ উৎসব এদেশের উচ্চাঙ্গ সংগীত চর্চাকে আরো এগিয়ে নেবে। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সকলের এ ধরণের উদ্যোগে এগিয়ে আসা উচিত।”
ওস্তাদ অজয় চক্রবর্ত্তী বলেন, “বাংলাদেশ পৃথিবীতে অতীতে যে আলো দেখিয়েছে, আগামীতেও তা দেখাবে এবং সেটা হবে সঙ্গীত দিয়ে। কারণ একমাত্র সঙ্গীত দিয়েই মানুষের হৃদয় ছোঁয়া যায়।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, ভারতীয় সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইটিসিএসআরএ’র নির্বাহী পরিচালক রবি মাথুর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সভাপতি আবুল খায়ের।
উদ্বোধনী পর্বের পর ওস্তাদ আলী আহাম্মেদ হোসাইনের সানাই’র মধ্য দিয়ে শুরু হয় চারদিনের এ উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত উৎসব।
এ উৎসব চলবে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ঢাকার বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ও কলকাতার আইটিসি এসআর আয়োজনে এ উৎসবে সংগীত পরিবেশন করবেন বিদুষী গিরিজা দেবী, পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা, পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, ওস্তাদ রশিদ খান, পণ্ডিত বিরজু মহারাজ, পণ্ডিত রাজন ও সাজন মিশ্র, কৌশিকা দেশিকান, আলারমেল ভাল্লি প্রমুখ।
পুরো উৎসবটি উৎসর্গ করা হয়েছে এদেশের সংগীত সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁকে। উৎসবের প্রথম থেকে চতুর্থ দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছে ওস্তাদ বিলায়েৎ খাঁ, পণ্ডিত উদয় শঙ্কর, ওস্তাদ আলী আকবর খাঁ ও ওয়াহিদুল হককে।
বাংলাদেশ সময়: ২১২৮ ঘণ্টা,নভেম্বর ২৯,২০১২
এআই/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর