চট্টগ্রাম: জাতীয় মজুরি স্কেল ঘোষণাসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে মঙ্গলবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু করেছেন চট্টগ্রামের ৮ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার শ্রমিকরা। একইসঙ্গে এসব শ্রমিকরা নিজ নিজ কারখানায় সকাল থেকে মিছিল-সমাবেশ করছেন।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন কারখানার বেসিক ট্রেড ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত ‘সেক্টর কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন সমন্বয় পরিষদ’ এর ডাকে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
চট্টগ্রামের ৮টি কারখানা হলো- চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল), কর্ণফুলী পেপার মিল (কেপিএম), উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি লিমিটেড, টিএসপি ফার্টিলাইজার লিমিটেড, ইস্টার্ন ক্যাবলস লিমিটেড, জেনারেল ইলেকট্রিক অ্যান্ড ম্যানুফেকচারিং প্ল্যান্ট, ড্রাইডক এবং ডিএপি ফার্টিলাইজার লিমিটেড।
সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও টিএসপি শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বেলাল বাংলানিউজকে বলেন, ‘মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে ৮টি কারখানায় ধর্মঘট শুরু হয়েছে। ১ মার্চ ভোর ৬টা পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।’
এসব কারখানার প্রায় তিন হাজার শ্রমিক-কর্মচারী স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধর্মঘটে যোগ দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছে- ২০০৯ সালের জুলাই থেকে জাতীয় মজুরি স্কেল ঘোষণা, প্রচলিত নিয়মানুযায়ী বোনাস ও গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স প্রথা বহাল রাখা, মৃত শ্রমিক-কর্মচারীদের পোষ্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী স্থায়ী চাকরিতে নিয়োগ, সরকারি নীতি অনুযায়ী টিএসপি, ডিএপি সার কারখানার ভর্তুকির টাকা নিয়মিতভাবে পরিশোধ এবং টিএসপির ২৫ কোটি টাকা মূল্যের সার বিক্রির অনুমতি প্রদান।
শহীদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, ‘মজুরি স্কেল ঘোষণার নামে সরকার শুধু কালক্ষেপণ করছে। শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়–য়া আরও এক মাসের সময় দেওয়ার জন্য যে আহ্বান জানিয়েছেন আমরা সেটা প্রত্যাখান করেছি। আমরা অবিলম্বে মজুরি স্কেলের বাস্তবায়ন চাই।’
বাংলাদেশ সময় : ১২০৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১২