রাজশাহী: ঠা ঠা রোদে পুড়ছে রাজশাহী। দিনের তাপমাত্রা কেবল বাড়ছেই। একটানা তাপপ্রবাহে জনজীবন ওষ্ঠাগত।
প্রকৃতি যেন অগ্নিমূর্তি ধারণ করেছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে যারপরনাই দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পদ্মা পাড়ের মানুষগুলি। চারিদিকে বৃষ্টির জন্য হাহাকার পড়ে গেছে।
গত ৩ দিন পর্যায়ক্রমে মহানগরীর উপশহরে বৃষ্টির জন্য ইস্তেসস্কার নামাজ আদায় করা হয়েছে। তবুও মহানগরীতে বৃষ্টির দেখা নেই। ফলে অসহনীয় গরমে স্বাভাবিক কাজকর্মে স্থবিরতা নেমে এসেছে। এর উপর ভয়াবহ লোডশেডিং গরমের যন্ত্রণার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে দ্বিগুণ।
বৃহস্পতিবার সকালেই নির্মেঘ আকাশে ঝলমলে রোদ নিয়ে হাজির হয় সূর্য। এর পর বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রার পারদও লাফিয়ে লাফিয়ে ওঠে উপরের দিকেই। দিনভর তাতিয়ে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গিয়ে দাঁড়ায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
রাজশাহী আবহাওয়া অধিদফতরের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক নজরুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, চলতি মাসের শুরুতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫-৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ছিল। কিন্তু গত তিন সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা ৩৯-৪১ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করছে। যা বিরল ঘটনা।
তিনি আরও জানান, গত ১৪ মে এ তাপমাত্রা ওঠেছিল ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটিই ছিল চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। বর্তমানে এ রেকর্ড অতিক্রম না করলেও বৃষ্টি না হওয়ায় তাপমাত্রা কমছে না। আবার মাঝে মাঝে আকাশে মেঘ জমেলও বৃষ্টি হচ্ছে না।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া সকাল ৬টার দিকে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ এবং বিকেল ৩টার দিকে ৪৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ সময়: ১৬১৮ ঘণ্টা, মে ৩১, ২০১২
সম্পাদনা: শাফিক নেওয়াজ সোহান, নিউজরুম এডিটর