 |
| ছবি: রাজিব / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: ‘মানুষ ও পরিযায়ী পাখির হাজার বছরের সহাবস্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি উৎসব-২০১২ উদযাপন করা হলো।
শনিবার রাজধানীর বারিধারা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই উৎসব হয়।
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচারের ( আইইউসিএন) বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিস, বাংলাদেশ বার্ডস ক্লাব, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এই উৎসবের আয়োজন করে।
দিনব্যাপী আয়োজিত উৎসবে আলোচনা, শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, তথ্যচিত্র, আলোকচিত্র, কুইজ প্রতিযোগিতা, আন্তবিশ্ববিদ্যালয় পাখি পরিচিতি প্রতিযোগিতা থাকবে।
বাংলাদেশের মোট ৭০০ প্রজাতির পাখির মধ্যে ৩২০টি পরিয়ায়ী পাখি। বছরের বিভিন্ন সময়ে এসব পাখি এদেশে আসে। তবে প্রায় ২৯০ প্রজাতিই আসে শীতকালে। আর বাকিগুলো বছরের অন্য সময়ে।
পাখি বিজ্ঞানে বলা হয়, পৃথিবীর যে জায়গাতেই পাখি থাকুক না কেন সেটি ওই অঞ্চলেরই পাখি হিসেবে গণ্য হবে। কারণ পাখি প্রকৃতির দান। সময় এসেছে পাখি নিয়ে সচেতন হবার।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচারের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইশতিয়াক উদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ বার্ডস ক্লাবের সভাপতি ইনাম আল হক, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, বন্যপ্রাণী গবেষক এ বি এম সারোয়ার আলম দীপু।
উৎসবের উদ্বোধন করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার।
প্রসঙ্গত, ২০০৬ সাল থেকে সারাবিশ্বে পরিযায়ী পাখি দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচার ও বাংলাদেশ বার্ডস ক্লাব এ দিবসটি আয়োজন করে থাকে।
বাংলাদেশ সময়: ০২৩৮ ঘণ্টা, মে ১২, ২০১২
এমআইআর/সম্পাদনা: রানা রায়হান, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর