মাগুরা: অবশেষে পুলিশের সহায়তায় নির্মম নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেলেন গৃহবধূ তাহমিনা খাতুন (৩০)।
দুদিন ঘরে আটকে রেখে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায় তাহমিনার শ্বশুর বাড়ির লোকজন।
শনিবার দুপুরে মাগুরা সদর উপজেলার দ্বারিয়াপুর গ্রাম থেকে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর থানা পুলিশ।
এ সময় ওই গৃহবধূ অসুস্থ থাকায় তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাহমিনা খাতুন বাংলানিউজকে জানান, ১৬ বছর আগে দ্বারিয়াপুর গ্রামের ইসরাইল ফকিরের ছেলে মহিদুল ফকিরের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর বাড়ির লোকেরা তার ওপর কারণে-অকারণে নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।
বাড়ির কাজ না করার অজুহাতে বৃহস্পতিবার সকালে দেবর হাফিজ ফকির ও শ্বশুর ইসরাই ফকির তার ওপর অমানুষিক অত্যাচার করে ঘরে আটকে রাখেন।
পরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তার বাবা জগদল গ্রামের আ. গফুর মোল্যা এ খবর পান।
এ সময় বাবার বাড়ির লোকজন তাকে আনতে গেলে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা তাদের বাধা দেয়।
কোনো উপায় না পেয়ে পরে শনিবার দুপুরে পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান মুন্সী বাংলানিউজকে জানান, তাহমিনার শ্বশুর, দেবর ও স্বামীর নামে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও জানান, তাহমিনার হাত, ঘাড়, মাথা, পিঠসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ২২১৯ ঘণ্টা, জুন ০৯,২০১২
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর, আশিস বিশ্বাস, অ্যাসিস্ট্যান্ট আউটপুট এডিটর