ঢাকা: দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ফের চার হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে গেছে। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ব্যাপক দরপতন হয়েছে। আগের কার্যদিবস সোমবারও দুই বাজারে ব্যাপক দরপতন হয়।
এদিন ডিএসইতে ২৪৩টি প্রতিষ্ঠানের দাম ও সাধারণ সূচক কমেছে ১৫৬ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে মোট ১৮৫ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
ওদিকে আগের মতো এদিনও দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ডিএসইর মূল ফটকের রাস্তায় অবস্থান নিয়ে দরপতনের প্রতিবাদ করেছেন ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীরা। তারা দরপতন ঠেকাতে এক পর্যায়ে জিকির শুরু করেন।
মঙ্গলবার লেনদেনের প্রথম পাঁচ মিনিটে অর্থাৎ সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ডিএসইর সাধারণ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ১৪০ পয়েন্টে নেমে আসে। এরপর সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে ২২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ১২২ পয়েন্টে, পৌনে ১১টায় ৫৮ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৬ পয়েন্টে, ১১টায় ১০৭ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৩৭ পয়েন্টে, বেলা সাড়ে ১১টায় ৭৪ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭০ পয়েন্টে, ১২টা ৫০ মিনিটে ১২৬ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ১৮ পয়েন্টে, পৌনে ২টায় ১৬৮ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯৭৬ পয়েন্টে স্থির হয়।
দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক ১৫৬ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯৮৮ পয়েন্টে নেমে আসে।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩টির, কমেছে ২৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির দাম।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসইর শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ওঠানামা করে- গ্রামীণফোন, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল, আফতাব অটোমোবাইলস, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, ইউনিক হোটেল, বেক্সিমকো, ন্যাশনাল ব্যাংক, কেয়া কসমেটিকস, এসআইবিএল ও আরএন স্পিনিং।
অন্যদিকে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ২৬৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৭৫১ পয়েন্টে।
লেনদেন হয়েছে মোট ২৯ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৬ ঘণ্টা, জুলাই ১০, ২০১২
সম্পাদনা: নজরুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর