 |
১.
আবহাওয়া সংবাদ বলে কোনো কিছু নেই। আছে বৃষ্টি-বাদল আর নীল ক্যানভাস জুড়ে মেঘের মরাল; খরতাপে মরুমগ্ন বার্তাবাহিকা। আকাশে তাকিয়ে থাকি মেঘের চ্যানেলে। সেখানে খবর পড়ে মেঘালয়ের মেয়ে। বলে মেঘতো হুংকার নয়, সূর্যের ছায়া সহকারী। বলেই মেয়ে কেঁদে-কেটে বৃষ্টির সাথেই নেমে আসে। তখন, সূর্যের চ্যানেলে বসে হেসে ওঠে তপ্ত পাঠিকা। পাঠকের গায়ে গায়ে তার। আমাদের চারদিকে এত টেলিভিশন তবু আমরা হতাশায় ভুগি। চারদিকে রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ের খবর। শিরোনামে ইলশেগুড়ি। ইলিশের কোনো খোঁজ নেই।
২.
ভিক্ষুদের কোনো সম্প্রদায় নেই। অসাম্প্রদায়িক। এই ভাবনায় পিছু নিয়ে দেখি, তারা পথিক ভিন্ন ভিন্ন পথের। পথ হারানোর শঙ্কায় ফিরে আসি। কিন্তু যেখানে ছিলাম আমি, আমার সে ঘর তাতো নেই, পড়ে আছে তার ছায়া। দখিনের জোড়া দিঘি তাও নেই, পড়ে আছে জল। ফল আছে ছায়া সহযোগে, কোনো বৃক্ষ নেই বাগানে আমার। তাহলে কি ঘর-দিঘি-বৃক্ষ সব ভিক্ষুদের অনুসারী হলো!
৩.
যে সকল গল্প গানের আদলে শোনা এবং যার সুর নিয়ে যায় দূরে, শৈশবের কাছাকাছি; আমি চাইনি শুনতে সেই সব গল্প। চেয়েছিলাম শিকারি হতে মাঝারি মাছের। জেগেছিলাম মাটিয়ালে মাছের মচ্ছবে মেতে কাটিয়ে দিতে রাত। খলই কোমরে বাঁধা, হাতে হাঁসুয়া। মাগুরের পিছে আমি, আমার পেছনে জলঢোঁড়া। কে যে কার প্রকৃত শিকার। কে ছিলাম শিকারি সে রাতে। সাপ না কি আমি।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৩০ ঘণ্টা, ১৭ জুলাই, ২০১২