 |
| ছবি: মোশাররফ / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি।
রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শিক্ষক সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সমিতির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মো. ইয়াদ আলী খান বলেন, ‘বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে বৈষম্যের শিকার। বর্তমান আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে শিক্ষকরা যে বেতন পাচ্ছেন, তা একেবারেই অপ্রতুল। এ বেতন কোনোভাবেই একজন শিক্ষকের চাহিদা মেটাতে পারছে না। ফলে শিক্ষকদের সঙ্গে বৈষম্য ক্রমাগত বেড়েই চলছে।’
তিনি বলেন, ‘কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে শিক্ষকসমাজকে সম্পৃক্ত করে এ পেশাকে কলুষিত করা হচ্ছে। তাই কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই।
তবে শিক্ষকসমাজকে এই বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে তাদের বাঁচার ন্যূনতম চাহিদা পূরণে সচেষ্ট হতে হবে। এতে শিক্ষার মান বিনষ্টকারী এই দুষ্টচক্রকে সমূলে নস্যাৎ করা সম্ভব।’
সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি এসএম আলী আশরাফ কবির, সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ জুলফিকার আলম চৌধুরী, মমতাজ খানম, একেএম আবুল বাশার প্রমুখ।
সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা সরকারের কাছে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট প্রদান, সরকারি বিধি মোতাবেক বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের স্কেল প্রদান, শূণ্যপদে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের এমপিওভূক্তকরণ, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল চালু করা ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ ৬৫ বছর করাসহ বিভিন্ন দাবি জানান।
দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ৯ থেকে ১২ জুলাইয়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান, ১৪ থেকে ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটির সভাপতিকে স্মারকলিপি প্রদান, ১৯ জুলাই কালো ব্যাজ ধারণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
ঈদুল ফিতরের আগে শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষকরা ।
বাংলাদেশ সময়: ১৫১০ ঘণ্টা, জুলাই ০১, ২০১২
এমএ/সম্পাদনা: কাজল কেয়া, নিউজরুম এডিটর; নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর