ঢাকা: রমজানে ভোজ্যতেলের চাহিদা মোকাবেলায় রোববার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেন।
বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
সভায় সয়াবিন ও পাম অয়েলের মূল্য, মজুদ, এলসি পরিস্থিতি, পরিবেশক পদ্ধতি ও রমজান উপলক্ষে প্রস্তুতি পর্যালোচনা করে রমজানে করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এ লক্ষ্যে আমদানিকারক ও রিফাইনারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে সয়াবিন ও পাম অয়েলের বন্ডে মজুদ, ফ্যাক্টরিতে মজুদ, পাইপলাইন পরিস্থিতি, এলসি খোলা ও নিষ্পত্তির বিস্তারিত হালনাগাদ তথ্যসহ উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (আইআইটি), অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্টে মহাব্যবস্থাপক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, সিটি গ্রুপ অব ইন্ডাসট্রির চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাসট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল, মেরিন ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, মাল্টি অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম সহ মোট ১৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উক্ত বৈঠকে উপস্থিত থাকতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
গত বছরও একইভাবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়। ওই বৈঠকের পরে দেশে কোনো ভোজ্যতেলের সঙ্কট নেই এবং যথেষ্ট মজুদ রয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা ও বাণিজ্যমন্ত্রী জানান। কিন্তু তার পরেও রমজান শুরু হওয়ার পর অস্থিতিশীল হয়ে ওটে ভোজ্যতেলের বাজার। রমজান শুরু হওয়ার আগেই দেশের বিভন্ন বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। ফলে দামও বাড়ে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৫১ ঘণ্টা, মে ২৪, ২০১২
এইচএমএম/সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর