 |
মাদারীপুর: মাওয়া-কাওরাকান্দি নৌরুটের পদ্মা নদীতে লঞ্চের তলা ফেটে দেড় শতাধিক যাত্রী নিয়ে এম এল সাথী নামক একটি লঞ্চ ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তাৎক্ষণিক চালকের বুদ্ধিমত্তায় কোনোমতে লঞ্চটি নদীর চরে ঠেকাতে সক্ষম হলে দেড় শতাধিক যাত্রীর জীবন রক্ষা পায়।
শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
যাত্রীদের অভিযোগ, লঞ্চটির ফিটনেস না থাকায় তলা ফেটে যায়। তবে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলেছে, পদ্মা নদীজুড়ে ডুবোচর থাকায় লঞ্চটি তাতে ধাক্কা খায়। এতে তলা ফেটে যায়।
যাত্রী, লঞ্চ স্টাফ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টায় মাওয়া থেকে দেড় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডি কে নেভিগেশন এম এল সাথী লঞ্চটি কাওরাকান্দির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। লঞ্চটি মাঝ পদ্মায় পৌঁছলে হঠাৎ তলা ফেটে তাতে পানি ঢুকতে থাকে। এসময় যাত্রীরা চিৎকার শুরু করলে লঞ্চ স্টাফরা হাত দিয়ে পানি সেচে পানি অপসারণের চেষ্টা করে। পরে লঞ্চটির চালক আনসার আলী দ্রুত চালিয়ে নদীর শিবচরের কাঠালবাড়ির কবুতরখোলা ও লৌহজংয়ে মাওয়ার মধ্যবর্তীতে জেগে উঠা চরে তুলে দেয়। এতে লঞ্চটির দেড় শতাধিক যাত্রী অল্পের জন্য বেঁচে যায়। এসময় যাত্রীরা চরে আশ্রয় নেয়।
খবর পেয়ে মেসার্স নেছারাবাদ ওয়াটার ওয়েজ, পিনারা -৬ নামের দুটি লঞ্চসহ একাধিক ট্রলার যাত্রীদের উদ্ধার করে কাওরাকান্দি নিয়ে আসে।
দুপুর সাড়ে ৫টায় এম এল মেসার্স পদ্মায় ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চটিকে উদ্ধার করে মাওয়া নিয়ে যায়।
লঞ্চের মালিক দুলাল মিয়া বলেন, ‘ডুবোচরে ধাক্কা লেগে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আমার লঞ্চের ফিটনেস সার্ভে সম্পন্ন রয়েছে।’
মাওয়া লঞ্চ মালিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘নদীতে অসংখ্য ডুবোচর থাকায় লঞ্চ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।’
বাংলাদেশ সময়: ১২৩৭ ঘণ্টা, ০৪ আগস্ট, ২০১২
এম.আর.মুর্তজা/ সম্পাদনা: নজরুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর