চট্টগ্রাম: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম চেমন আরা তৈয়ব বলেছেন, পবিত্র কোরআন ও হাদিসে দান ও সদকার প্রতি অত্যধিক উৎসাহ-অনুপ্রেরণা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “একদিকে সদকা ও খয়রাতের বিভিন্ন ফজিলত ও প্রতিদানের কথা যেমন বর্ণিত হয়েছে, তেমনি পক্ষান্তরে বাধ্যতামূলক সদকা (যেমন জাকাত, যা গরীব-দুঃখী, ফকির-মিসকিনের হক) অনাদায়ে শাস্তির কথাও গুরুত্বের সঙ্গে ঘোষিত হয়েছে।”
শুক্রবার বিকেলে পাঁচলাইশের সংগঠন কার্যালয়ে শহীদ আইভী রহমানের বহুমাত্রিক দেশ ভাবনায় প্রতিষ্ঠিত সমাজ, সংস্কৃতি, উন্নয়ন, মানবাধিকার ও জবাবদিহিমূলক সংগঠন আমরা করবো জয়’র উদ্যোগে ১০০ দুস্থ পরিবারে ১ লাখ টাকার ইফতারসামগ্রী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
আমরা করবো জয়’র বহুমাত্রিক কর্মযজ্ঞের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “সংগঠনটি এরই মধ্যে তাদের নতুন নতুন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। গতানুগতিক ধারার বাইরে সমাজের জন্য তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আমরা করবো জয়’র অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ও সমাজসেবী বেগম লায়লা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. আলী চৌধুরী।
সংগঠনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির সঞ্চালনে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আবু তৈয়ব, রাজনীতিক ও কলাম লেখক মুহাম্মদ মাসুম চৌধুরী ও মাওলানা শওকত আল-আমিন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী নিলুফার জাহান বেবী, পটিয়া মহিলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাজেদা বেগম, চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক জিএস আসমা ফেরদৌস প্রমুখ।
ড. মো. আলী চৌধুরী বলেছেন, “এতদিন আমরা করবো জয়’র নানামাত্রিক কর্মকাণ্ডের কথা শুনেছি, আজ নিজহাতে ইফতারসামগ্রী বিতরণের মধ্য দিয়ে বুঝলাম এ সংগঠন শুধু কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। এ ধরনের সংগঠন পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সমাজের জন্য আরো অনেক কাজ করতে পারবে।”
সভাপতির বক্তব্যে বেগম লায়লা হক বলেন, “আমরা করবো জয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি জবাবদিহিতা। এ কারণেই এ সংগঠন উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি লাভ করবে।”
পরে অতিথিরা ১০০ দুস্থ পরিবারের প্রতিনিধির হাতে ইফতারসামগ্রী তুলে দেন।
বাংলাদেশ সময়: ২০১০ ঘণ্টা, আগস্ট ০৩, ২০১২
এআরএম/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর