 |
| ছবি: জাহাঙ্গীর সুমন /বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: “আল্লার নাম লই, কাবা শরিফে যাইবার লাই ঘরেত্তুন বাইর অইছি, বিমান নাই তো কি হইছে, আল্লায় বেগ্গুনেরে নি যাইবো” কথাগুলো বলেই তসবি হাতে দোয়া পড়তে থাকেন মকবুল হোসেন(৬৪)।
নাস এয়ারওয়েজের পাঁচটি ফ্লাইটের শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে সোমবার থেকে শুরু করে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মকবুল হোসেনের মতো সাতশ’ ৮০ জন হজযাত্রী আটকা পড়েছে।
বিমানবন্দরের বহির্গমন লাউঞ্জের মেঝেতে এসব যাত্রীদের চাদর আর মাদুর বিছিয়ে ফ্লাইটের অপেক্ষায় ইবাদত বন্দেগীতে সময় কাটাতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মহিলা যাত্রীও রয়েছেন।
বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে নাস এয়ারওয়েজের এক্স ওয়াই-৫৯১৯ নম্বর ফ্লাইটটি ২৪০ জন নন ব্যালটি হজযাত্রীকে নিয়ে শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর ছাড়ার কথা ছিল। নাস এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ ওই ফ্লাইটটির শিডিউল পুনর্বিন্যাস করে মঙ্গলবার ভোর পাঁচটায় নির্ধারণ করে। একই দিন তিনশ’ হজযাত্রী নিয়ে এক্স ওয়াই-৫১৭৩ নম্বর ফ্লাইটটি রাত ১০টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ সেটির শিডিউল মঙ্গলবার রাতে পুনর্নির্ধারণ করে। এছাড়া ২৪০ জন যাত্রী নিয়ে এক্স ওয়াই-৫৯১৭ নম্বর ফ্লাইটটি মঙ্গলবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করা হয়। এই ফ্লাইটটির নতুন শিডিউল এখনও জানাতে পারেনি নাস এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার বিকেলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তজাতিক বিমানবন্দরের বর্হিগমন লাউঞ্জে সাতশ’ ৮০ জন হজযাত্রীকে ফ্লাইটের অপেক্ষায় সময় কাটাতে দেখা গেছে।
বিমানবন্দরের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ওহায়েদুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, “সোমবার থেকে নাস এয়ারওয়েজের ৫টি ফ্লাইটের ১টি গন্তব্যে রওনা দিয়েছে বলে শুনেছি। ভাড়ায় আনা এ বিমান সংস্থার কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ফ্লাইট শিডিউল দেরি হওয়ার কথা আমাকে জানাননি”।
হজযাত্রীদের দুর্ভোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি নাস এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশে নাস এয়ারওয়েজের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা তুশিষ ঘোষের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাংলাদেশ সময়: ১৮০১ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১২
জেএস/ সম্পাদনা: শাহেদ হোসেন, নিউজরুম এডিটর ও অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর