 |
| ছবি: রুবেল / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
আশুলিয়া থেকে: পুলিশ আশুলিয়ার আবাসিক এলাকা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে মারপিট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে আশুলিয়ার বেরন এলাকার বাসিন্দারা।
মানিকগঞ্জ পাড়ার বাসিন্দা জোসনা বেগম বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ এসে আমাদের বাসার গেট ভেঙে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করে। পরে তারা লাঠি দিয়ে জানালার কাচ ভেঙে দেয়। তিনি প্রতিবাদ করলে পুলিশ তাকেও মারার জন্য লাঠি তুলে হুমকি দেয়।
তিনি বলেন, ‘পুলিশ জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু তারা দায়িত্ব পালন না করে সন্ত্রাসীদের মতো হামলা চালাচ্ছে। আমরা এর বিচার চাই।’
অনিক টেলিকমের মালিক রনি মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, ‘পুলিশ আমার দোকানের ঝাঁপ ভেঙে ভেতরে ঢুকে আমাকে মেরেছে।’
তিনি বলেন, ‘জামগড়ার যেখানে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকরে সংঘর্ষ হয়েছে, সেখান প্রায় অধা কিলোমিটার দূরে আমার দোকান। পুলিশ বিনা কারণে আমার দোকানে হামলা করেছে।’
লিমন মিয়া নামের এক এলাকাবাসী বলেন, ‘আমি মেইন রোড দিয়ে একাই হেঁটে যাচ্ছিলাম। এ সময় ৩ জন পুলিশ আমাকে লাঠি দিয়ে মেরেছে।’
মানিকগঞ্জ এলাকার অনেক বাড়ির দরজা, জানালা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পুলিশের লাঠির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
স্থানীয়রা বলেছেন, সংঘর্ষ হয় রাস্তায় আর বারে বারে পুলিশ যদি এভাবে আমাদের বাসা বাড়িতে হামলা করে তাহলে প্রতিহত করা ছাড়া কোনো উপায় দেখছি না।
এদিকে জামগড়ায় সংঘর্ষের পরে ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ১২/১৪ বছর বয়সের কয়েটি বালককে লাঠি দিয়ে মেরেছে।
আশুলিয়া থানার ওসি শেখ বদরুল আলমের সেল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আপনি ভালো করে খোঁজ নিয়ে দেখেন, আমার বলার কিছু নেই।’
শিল্প পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘ওইসব বাড়ি থেকে পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। সে কারণে দু’একটি বিছিন্ন ঘটনা ঘটেছে।’
বাংলাদেশ সময়: ১৩৩০ ঘণ্টা, জুন ১৭, ২০১২
ইএস/সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর