 |
রক্তডাক
(যদিও চিনিনা তবু)
তোর হাত ধরে আমি র্স্বগে তাকাই
পুরানে পিরিতে প্রাণে বিভীষিকা জ্বলে
তারে আমি ইচ্ছার ধূলাতে লুটাই
তোর বেচঈন নাসিকাগ্রীবাঠোঁট
আনতমদির দেহ আমাতে মাতাল টলে
এভাবে ইচ্ছেরা ঘোরে, বুকের ভেতর খোঁড়ে
দীঘল এক চুমুর খোঁড়ল—
নিয়ে রাখি তোরে সেই জীর্ণ হেরা গর্তে...
আহা! যদি তোর হাত ঢুঁড়তো সে বুক, করতো দখল
তবে সিনার অতলে রেখে তোর অবয়ব, ওঁম ওঁম ওঁম
শান্তি শান্তি হায় পেতাম অধম আমি...
কিন্তু দ্যাখ কেমন মন্দা কপালে!
ঢুকে আমি গেলে স্তনের গোলার্ধে তোর,
কিবা তুই আমার বুকের অন্দর
গর্ততে দ্যাখিস আমি নাকি নাই!
বুকক্ষতে তুইও নাই, নাই নাই হায়
হাহাকার হাহাকার হাহারব পৈঠায়
অবাক বিস্ময়ে দেখি
আছি আমি রক্তে আমার
শিরায় শিরায়
রক্তে ঢুকাবো তোরে কিভাবে কী দিয়ে?
আমি
আমি মানে, স্মৃতি—
ঘিরে ধরি তোর একাকীত্বকে
ঘিরে ধরি তোর চিবুকের নীরবতা
ঘিরে ধরি তোর অঘুম রাতের
এপাশ ওপাশ— কাঁটার বিছানা
একা জানালার আরো একা নীল চাঁদ
আমি মানে, স্মৃতি—
ঘুমের কুহক
অলসমদির কাঁটামেহেদী রঙ চোখে
মধ্যরাতের টলায়মান পা—
তুমি মানে জ্বর, ঐশী প্রতীমা
মিথ্যা ও নীলের দ্বিধান্বিত স্বর
তুমি মানে সত্যিকথা, সংসার, ঘর...
অপেক্ষামহিমা
নিজস্ব প্রবাহে শুধু বয়ে যায় নদী, ফিরে আসে না
‘অপক্ষোমহিমা’ শব্দটির ভেতর যে কবিতা
লুকিয়ে আছে তার সেন্ট্রাল ক্যারেক্টার
সবসময় ‘তুমি’
আর হিডেন ট্রেজারের স্বাদ নিয়ে যখনি পাঠক শুরু
করে আনকোরা কোন বাক্যপাঠ তখনি কবিতা হয়ে
উঠতে চায় তোমার জন্য এই অপেক্ষাবিকার,
কারণ এ কবিতার কবির অপেক্ষা তোমার জন্যই
আনতমাথায়, বেদনাভারানত চোখের তাকিয়ে থাকায়,
মহিমান্বিত করে তুলছে পথের আড়ালে
হারিয়ে যাওয়া সম্ভাবনাময় পথটাকে। প্রতিটি
মুহূর্তকে করে তুলছে অসুর কবির হাজার
বছর, অর্জুনের উত্তজেনাময় অনন্তকাল।
তোমার গমনপথ যেনো কবির বুকের ওপর দিয়ে
রোলিং করে নিয়ে যাওয়া ইন্টারসিটি সাঁইত্রিশ
কম্পার্টম্যান্ট মালগাড়ি, অন্ধ ল্যাম্পপোস্টের নিচে
দাঁড়িয়ে তোমার চলে আসাকে সে তুলনা করে
দীঘল লোডশেডিং-এর পর বিদ্যুৎ চলে আসার
স্বস্তিদায়ক মহিমার সাথে...
ফিরতে না জানা নদী, উজানস্ফূর্তঝর্ণাবক্ষ নিয়ে
তুমি কখন আসবে ঐ ধূসর মার্বেলের নৈঋত সিঁড়ি মাড়িয়ে?
বাংলাদেশ সময়: ১৮১০ ঘণ্টা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১২