-monsor20121008071646.gif) |
| বক্তব্য দেন ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুর |
চট্টগ্রাম: ‘আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সুফলের সাথে সাথে এর অপব্যবহারের ফলে ভালো-মন্দের পার্থক্য নির্ণয়ে মানুষ আজ অনেকটাই ব্যর্থ। যার ফলে প্রায় ক্ষেত্রে খারাপের দিকেই বেশিমাত্রায় ঝুঁকে পড়ায় যুবসমাজে অস্থিরতা বাড়ছে। যা সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।’
সোমবার বিকেলে লালদীঘি মাঠে কাগতিয়া আলিয়া গাউসুল আজম দরবার শরিফের মোর্শেদ অধ্যক্ষ আল্লামা ছৈয়্যদ মুহাম্মদ মুনির উল্লাহ্ আহমদি (মজিআ) এ কথা বলেন।
মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত গাউসুল আজম কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমানের কঠিন সময়ে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন বেলায়তের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত খলিফায়ে রাসূল (দ.) কাগতিয়ার গাউসুল আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী। যিনি গাউসিয়তের শক্তিতে দেশ-বিদেশের অগণিত যুবকের ব্যক্তিজীবনে এমন আমূল পরিবর্তন এনেছেন, যার ফলে এ সমস্ত যুবকেরা আজ নিজেদের নফসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অপকর্ম থেকে দূরে থাকতে সক্ষম হচ্ছে।
বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছীন সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হারুন-অর রশিদ, বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব আল্লামা শাব্বীর আহমদ মোমতাজি ও ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুর।
প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক ফোরকান মিয়া।
আলোচনা করেন আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ ইব্রাহীম হানফি, উপাধ্যক্ষ আল্লামা বদিউল আলম আহমদি, আল্লামা কাজী আনোয়ারুল আলম সিদ্দিকী, মোহাম্মদ আশেকুর রহমান, মুহাম্মদ সেকান্দর আলী ও মুহাম্মদ ফোরকান।
মিলাদ-কিয়াম শেষে প্রধান অতিথি দেশ, জাতি ও বিশ্বের শান্তি-সমৃদ্ধি এবং দরবারের প্রতিষ্ঠাতা কাগতিয়ার গাউসুল আজমের দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৭১৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ০৮, ২০১২
এআরএম, টিসি