 |
ঢাকা : জাপানের হোন্ডা মোটর কোম্পানির প্রতিনিধি দল বলেছে, মোটরসাইকেল তৈরির প্রতিটি যন্ত্রাংশ ওয়ালটন উচ্চমান বজায় রেখেই তৈরি করছে। তাদের অন্যান্য পণ্যও মানসম্পন্ন।
বুধবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শন শেষে হোন্ডা’র সিনিয়র প্রকৌশলী সুজি মিনুরা (Shuji Minoura) এসব কথা বলেন।
দুই সদস্যের হোন্ডা প্রতিনিধি দলটি ওয়ালটন কারখানায় বিশেষ করে মোটরসাইকেল তৈরির পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে। পরে তারা ফ্রিজ ও এয়ারকন্ডিশনার তৈরির প্ল্যান্টও ঘুরে দেখেন।
প্রতিনিধি দলের প্রধান সুজি মিনুরা আরো বলেন, ‘আমরা জেনেছি ওয়ালটনই বাংলাদেশে একমাত্র প্রতিষ্ঠান যারা উচ্চ প্রযুক্তির ফ্রিজ, টিভি ও মোটরসাইকেল তৈরি করছে। ওয়ালটনের উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখে আমরা খুশি। এখানে সর্বোচ্চ প্রযুক্তির মেশিনারিজ দিয়ে কাঁচামাল থেকে প্রতিটি যন্ত্রাংশ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশে এসব পণ্য তৈরি হচ্ছে দেখে আমাদের ভালো লাগছে।’
প্রতিনিধি দলের আরেক সদস্য প্রকৌশলী তোশিরো সুচিয়া (Toshihiro Tsuchiya) বলেন, ওয়ালটনের অটোমোবাইল কারখানায় একটি সম্পুর্ণ মোটরসাইকেল তৈরির অত্যাধুনিক সব সুবিধাই বিদ্যমান রয়েছে।
বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের বাজার দিনদিন বড় হচ্ছে। বর্ধিত এই চাহিদা পূরণে আমদানিকৃত মোটরসাইকেলের সঙ্গে ওয়ালটনকে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ওয়ালটনে বিশ্বমানের মোটরসাইকেল তৈরির প্রক্রিয়া দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। ওয়ালটন চাইলে যে কোনো ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়া হবে। এখানকার সার্বিক উৎপাদন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে আমরা খুবই আশাবাদী হয়েছি বলতে পারেন। জাপানে ফিরে হোন্ডা কর্তৃপক্ষকে সবকিছু অবহিত করব। আমরা ওয়ালটন মোটরসাইকেলের মান নিয়ে খুবই আশাবাদী।
জাপানি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, ‘আমরা জানতে পারলাম বাংলাদেশে ইলেট্রনিক পণ্যের অভ্যন্তরীণ চাহিদার বড় অংশই ওয়ালটন তৈরি করছে এবং এখানে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি ব্র্যান্ড। এসব পণ্যের গুণগত মান নিয়েও ক্রেতারা সন্তুষ্ট। আমরা চাই এভাবে বাংলাদেশে ব্যাপক শিল্পায়ন হোক।’
এর আগে প্রতিনিধি দলকে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ কমপে¬ক্সে স্বাগত জানান, আরবি গ্রুপের চেয়ারম্যান এসএম নুরুল আলম রেজভী, অতিরিক্ত পরিচালক লে. কর্নেল (অব.) এম এ কাদের, ডেপুটি ডিরেক্টর ইউসুফ আলী, সহকারী পরিচালক ফিরোজ আলম ও নাজিব এম রহমান, মিডিয়া উপদেষ্টা এনায়েত ফেরদৌস প্রমূখ।
বাংলাদেশ সময় : ১৯৩০ ঘণ্টা, ৩০ মে, ২০১২
সম্পাদনা : আহ্সান কবীর, আউটপুট এডিটর