 |
চট্টগ্রাম: বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ফার্নেস অয়েল পাচারের ঘটনায় জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের গঠন করা কমিটি শনিবার তদন্ত শুরু করেছে। এক সদস্য বিশিষ্ট এ তদন্ত কমিটির প্রধান যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ।
সূত্র জানায়, তদন্ত কাজের শুরুতে যুগ্ম-সচিব পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল খায়েরসহ ২২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রধান কার্যালয়ে এ সাক্ষ্য গ্রহণ চলে। এসময় ঢাকা থেকে আসা যুগ্ম-সচিবের সঙ্গে বিপিসির গঠিত তদন্ত কমিটির এক সদস্যও উপস্থিত ছিলেন।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রধান যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘পদ্মা অয়েলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যগুলো আমরা খতিয়ে দেখবো।’
তিনি জানান, র্যাব-৭-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তদন্ত কমিটি কথা বলবে। এরই মধ্যে র্যাব কর্মকর্তাদের এবিষয়ে অভিহিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
দায়িত্বশীল সূত্র বাংলানিউজকে জানায়, পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল খায়ের, মহা-ব্যবস্থাপক (বিপণন) কাজী আলী হোসাইন, উপ-মহাব্যবস্থাপক (সেলস) কফিল উদ্দিন মাহমুদ, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য), ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য),পতেঙ্গা ডিপোর ইনস্টলেশন ম্যানেজার, অপারেশন ম্যানেজার, সিকিউরিটি অফিসারসহ পদ্মা অয়েলের বিপণন বিভাগের সব কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ করে তদন্ত কমিটি।
এদিকে ফার্নেস অয়েল পাচারের ঘটনায় অভিযুক্ত চার কর্মকর্তার মধ্যে ব্যবস্থাপক কাজি মফিজুর রহমান তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য দেন। বাকিরা উপস্থিত ছিলেন না।
সূত্র জানিয়েছে, শনিবার তদন্ত কমিটির সদস্যরা বিপিসি থেকে পতেঙ্গা এলাকায় পদ্মার প্রধান ডিপো পরির্দশন করেন। এসময় তদন্ত কর্মকর্তা কীভাবে ফার্নেস অয়েলের ডেলিভারি দেওয়া হয়, কীভাবে ডেলিভারি অর্ডার ইস্যু করা হয়, তা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন।
বাংলাদেশ সময়: ২১৩৮ ঘণ্টা, জুন ০২, ২০১২
টিসি/সম্পাদনা: রানা রায়হান, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর