চট্টগ্রাম: চোখ থেকে আপনা আপনি জল গড়াতে থাকে। আবেগ ধরে রাখতে পারছিলেন না সাকিব আল হাসান। বাহু দিয়ে ভেজা চোখ আড়াল করতে গিয়ে পারলেন না। খানিকটা আনন্দ অশ্রু গড়িয়ে পড়লো। অধিনায়ক আটকালেন না।
অধিনায়ক একা নয়। দলের প্রত্যেক সদস্য আনন্দ অশ্রু ফেলেছেন। কেউ বারণ করেনি। বরং একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৫৮ রানে হারের যন্ত্রণা ধুয়ে মুছে দিয়েছেন ভালোবাসার অশ্রু দিয়ে।
সমালোচনাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে সাফল্য অশ্রু। বিজয়ের সাগরে বিসর্জন গেছে অভিমান, অপমান, হতাশা, ব্যর্থতা। এখন অন্যএক বাংলাদেশকে দেখবে সবাই। সেই বাংলাদেশ যাকে ঘিরে দর্শকরা উল্লাস করবে। রাতের বর্ণিল আলো আরো রঙ্গীন হয়ে উঠবে।
একদিন আগেও যাদের মুখে হাসি ছিলো না শুক্রবার রাতে তাদেরকে প্রাণ খুলে হাসতে দেখা গেছে। কর্মকর্তাদের দেখা গেছে খেলোয়াড়দের পিছু নিতে। অন্য সময় হলে হয়তো এতটা হতো না। জয়টি যে ক্রিকেটের প্রবর্তক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এবং খেলাটি যে বিশ্বকাপের। সেজন্য খেলোয়াড় কর্মকর্তাদের মধ্যে কোন ভেধাভেদ ছিলো না।
বাংলাদেশ সময়: ১২৩৫ ঘণ্টা, মার্চ ১২, ২০১১