 |
ঢাকা: লাবণ্যের পিতা একজন অধ্যাপক। মাতৃহীন কন্যা লাবণ্যকে তিনি শিক্ষায়, জ্ঞানে ও রুচিতে মানুষ করেছিলেন। লাবণ্যের সতীর্থ শোভনলাল ছিলেন অধ্যাপক পিতার প্রিয় ছাত্র। অধ্যাপকের ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে শোভনের ছিল অবাধ যাতায়াত।
একপর্যায়ে শোভনের সঙ্গে লাবণ্যের ভালবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়। একদিন লাবণ্যের পিতাকে অপমান করে শোভনের পিতা।
এর ফলে শোভনকেও অপমান করে বের করে দেওয়া হয় লাবণ্যের বাড়ি থেকে।
এরপর লাবণ্য চলে যায় শিলং পাহাড়ে।যোগমায়ার বাড়িতে সুরমা পড়ানোর কাজ পায় সে। সেখানে অক্সফোর্ড পড়ুয়া কবি অমিত রায়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তার।
ঘটনা প্রবাহে অমিতের সাবেক প্রেমিকা কেতকী হাজির হয় শিলং-এ। এর জের ধরে ফাটল ধরে অমিত-লাবণ্যের সম্পর্কের। এমনি এক সময়ে শিলং-এ উপস্থিত হয় শোভনলাল।
শিলং-এর পাহাড়ি কুয়াশার মতই হয়ে পড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’র মানবিক সম্পর্কের দ্বন্ধ ও পরিণতি। মঞ্চ নাটকে তারই রূপায়ন করেছে থিয়েটার আর্ট ইউনিট।
প্রশান্ত হালদারের নাট্যরূপ ও মোহাম্মদ বারীর নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হয় শেষের কবিতা।
নাটকের অসাধারণ কারুকাজ আর অভিনয় নৈপূণ্য বিমোহিত করে দর্শকদের।
অপরদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে মঞ্চস্থ হয় থিয়েটারের ‘মেরাজ ফকিরের মা’।
ধর্মীয় পরিচয় মা-ছেলের সম্পর্কেও দুরত্ব তৈরি করতে পারে, সমাজ জীবনের এমনি বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই নাটকে।
নাট্যজন রামেন্দ্র মজুমদারের প্রযোজনায় নাটকে অভিনয় করেছেন, রামেন্দ্র মজুমদার, ফেরদৌসি মজুমদার, ত্রপা মজুমদার, সমর দেব প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ০১১৫ ঘণ্টা, জুন ৮, ২০১২
সম্পাদনা: মাহাবুর আলম সোহাগ, নিউজরুম এডিটর