 |
ঢাকা: কোমল পানীয় প্রস্তুতকারী অন্যতম বৃহৎ কোম্পানি পেপসি দীর্ঘ ১৫ বছর পর মিয়ানমারে ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিয়ানমারের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পর পেপসি এ সিদ্ধান্তের কথা জানালো।
১৯৯৭ সালে মিয়ানমার থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেয় পেপসি। মাস খানেক আগে প্রতিদ্বন্দী কোম্পানি কোকাকোলাও মিয়ানমারে ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে।
পেপসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পেপসি কোলা, সেভেন-আপ, মিরিন্ডাসহ পেপসির অন্যান্য কোমল পানীয় বাজারজাত করতে ইতোমধ্যে তারা মিয়ানমারের বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউটরের সঙ্গে চুক্তি করেছে।
এছাড়া, মিয়ানমারে উৎপাদন প্ল্যান্ট স্থাপনেরও চিন্তা করছে পেপসি।
এ ব্যাপারে পেপসির চেয়ারম্যান এবং প্রধান সহকারি ইন্দ্র নুয়ি বলেন, “আমরা আমাদের খাদ্য এবং পানীয় পণ্যের ব্র্যান্ডকে ভোক্তাদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সর্বদা নতুন নতুন সুযোগের সন্ধান করি। সে দিক থেকে মিয়ানমার একটি সম্ভাবনাময় বাজার।” মিয়ানমারে পেপসি খুব দ্রুত তার অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবে বলে তিনি আশা করছেন তিনি।
প্রতিদ্বন্দ্বী কোকাকোলাকে টেক্কা দিতে পেপসি উৎপাদন উন্নয়ন এবং বাজারের সম্প্রসারণে উঠে পড়ে লেগেছে। ফলও পাচ্ছে তারা। ২০০৬ সালে বিশ্বব্যপী যেখানে তাদের আয় ছিলো ৮শ’ কোটি ডলার সেখানে ২০১১ সালে তা প্রায় তিনগুণ বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২শ’ কোটি ডলারে।
কোমলপানীয়ের বাজার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পেপসি মিয়ানমারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের পরিকল্পনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংগঠনের (ইউএসইএসসিও) সঙ্গে মিলে তারা মিয়ানমারে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য একটি বৃত্তিমূলক (ভোকেশনাল) প্রশিক্ষণ প্রকল্প চালুর চিন্তাভাবনা করছে।
মিয়ানমারের উন্নয়ন, শ্রমশক্তি বৃদ্ধি ও জনগণের ক্ষমতায়নের সঙ্গে যুক্ত থেকে সেখানে ভবিষ্যতে ব্যবসা আরো সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা করছে পেপসি।
বাংলাদেশ সময়: ১৩০৯ ঘণ্টা, আগস্ট ১০, ২০১২
সম্পাদনা: জনি সাহা ও জাহাঙ্গীর আলম, নিউজরুম এডিটর