 |
| ছবি:বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
পাবনা: শবে বরাত উপলক্ষে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে পাবনার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে। বেড়ে গেছে ব্যস্ততা। ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করেছেন জেলাবাসী।
বাড়িতে একটু ভালো খাবারের আয়োজন করতেই মূলত এ অঞ্চলের মানুষের এ ব্যস্ততা। বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি না থাকলেও চাকরিজীবী অনেকের মধ্যেই দেখা গেছে ছুটির আমেজ।
সকাল থেকেই মানুষ অনেকটা উৎসবের আমেজে হাট-বাজারে গিয়ে সাধ্য মতো মাংস, সেমাই, সুজি, আগরবাতিসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনছেন।
আর বেশি বিক্রি হওয়ার কারণে মাংস বিক্রেতারা একেকজন একাধিক গরু, মহিষ, ছাগল জবাই করে বিক্রি করছেন। ফলে, মাংসের দোকানেই সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে।
শহরের কলেজ গেটে মাংস বিক্রি করছিলেন আফসার আলী। সকাল ১০টায় তিনি বাংলানিউজকে জানান, বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় শবে বরাত ও রোজার ঈদে মাংস বেশি বিক্রি হয়। তাই, তারাও একাধিক গরু-মহিষ কিনে তার মাংস বিক্রি করেন। তিনি ২টি গরু ও ১টি মহিষের মাংস বিক্রি করছেন।
অপর মাংস বিক্রেতা জাহিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, এবছর ২টি গরু ও ২টি মহিষ জবাই করে মাংস বিক্রি করছেন। বিক্রিও প্রায় শেষের দিকে। প্রতি কেজি গরু ও মহিষের মাংস ২৫০-২৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
মাংস কিনতে আসা বেসরকারি চাকুরিজীবী রায়হান আলী বাংলানিউজকে জানান, বছরের ২ ঈদ ও শবে বরাতে বাড়িতে একটু ভালো খাবারের আয়োজন করা হয়। এজন্যই তিনি মাংস কিনতে এসেছেন। তিনি জানান, ২ কেজি গরুর ও ১ কেজি মহিষের মাংসসহ সেমাই-সুজি কিনেছেন তিনি।
এদিকে, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস ৩৫০-৩৭০ টাকা ও বয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৪০-১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে গ্রামের বাড়িতে বউ-ঝিরা কেউ ঢেঁকিতে আবার কেউবা বিদ্যুৎচালিত মেশিনে চাল ভাঙানো থেকে শুরু করে রান্না-বান্না করার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৬১৮ ঘণ্টা, জুলাই ০৫, ২০১২
সম্পাদনা :প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর