 |
| ছবি: জীবন আমীর / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
গণজাগরণ চত্বর থেকে: শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরের গণআন্দোলন জাতিকে গর্বিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ এমপি।
রোববার সন্ধ্যায় গণজাগরণ চত্বরে তরুণদের গণআন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “এ আন্দোলনের মাধ্যমে তরুণরা সমগ্র জাতিকে একতাবদ্ধ করেছে। ষাটের দশকে এ ধরনের আন্দোলন দেখেছিলাম। আমি সেই আন্দোলনের একজন কর্মী ছিলাম।”
তোফায়েল বলেন, “আমরা জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আইনে পরিবর্তন এনেছি। এ চত্বর থেকে তরুণদের যে যাত্রা শুরু হয়েছে পৃথিবীর কোনো শক্তিই তা দমাতে পারবে না। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবেই, হবে।”
সন্ধ্যায় একই সঙ্গে সংহতি জানাতে উপস্থিত হন রাশেদ খান মেনন এমপি, সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, ফজলে হোসেন বাদশা এমপি।
রোববার বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় তাদের আগমন তরুণদের উজ্জীবিত করে তোলে।
কাদের মোল্লাসহ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরে চলমান গণআন্দোলনের ১৩তম দিন রোববার। গণআন্দোলনের ঢেউ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে প্রবাসেও। নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছেন। প্রতিদিনই বাড়ছে এ গণজোয়ারে আসা মানুষের সংখ্যা।
কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার রায় প্রত্যাখ্যান করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শাহবাগ মোড়ে এ বিক্ষোভের সূচনা করে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম। এরপর বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ আন্দোলনে যোগ দেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় মহাসমাবেশ। ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় জাগরণ সমাবেশ। উভয় সমাবেশেই যোগ দেন লাখো জনতা। এছাড়া সারা দেশ জুড়ে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩ মিনিটের স্তব্ধতা কর্মসূচি, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার কর্মসূচি।
শুক্রবার রাতে ব্লগার রাজীব শিবির ক্যাডারদের হাতে শহীদ হওয়ার পরে গণআন্দোলন আরো বেগবান হয়েছে। শোককে শক্তিতে পরিণত করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ লড়াই চলবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩
ইএস/ সম্পাদনা: জয়নাল আবেদীন, নিউজরুম এডিটর ও অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর- eic@banglanews24.com