 |
ঢাকা: ইসরায়েলের সঙ্গে মিসরের সিনাই সীমান্তে গত রোববার অনুপ্রবেশে বাধা দেওয়ায় ১৬ মিশরীয় সীমান্তরক্ষীকে গুলি করে হত্যা করেছে একদল বন্দুকধারী। হামলায় আহত হয়েছে আরো ৭ জন। ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে হামলাকারী পাঁচ জন বন্দুকধারীও নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার ইফতারের সময় দু’টি ট্রাকে করে মুখোশ পরা বন্দুকধারীরা সীমান্তের বাধা উপেক্ষা করে ইসরায়েলে প্রবেশের চেষ্টা করে। আক্রমণকারীদের পাঁচ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা।
এদিকে, হামলার খবর প্রকাশের পরপরই মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন। সিনাই এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সোমবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে মুরসি বলেন, “এই সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার জন্য নিরাপত্তা কর্মী এবং অভ্যন্তরীণ পুলিশকে আমি নির্দেশ দিয়েছি।”
তিনি আরো বলেন, “ঘটনাটি হালকাভাবে নেওয়ার উপায় নেই। সিনাই এবং এর আশপাশের এলাকাগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। হামলাকারীরা অভ্যন্তরীণ বা বহিরাগত যাই হোক না কেন হামলাকারী এবং তাদের সহযোগীদের চড়া মূল্য দিতে হবে।”
বোরবারের হামলার ঘটনাটি ঘটে উত্তর সিনাইয়ের কারেম আবু সালেম ক্রসিং পয়েন্টে। স্থানটি মিশর -ইসরায়েল সীমান্তে অবস্থিত। বন্দুকধারীরা ইসরায়েলে প্রবেশ করতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বাধা দেয়। এসময় বন্দুকধারীরা রক্ষীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, তাদের একজন সেনাকে অপহরণের উদ্দেশ্যে বন্দুকধারীরা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। বন্দুকধারীরা তাদের বহনকারী ট্রাক দু’টি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলেন একটিকে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
এ হামলার দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার না করলেও এর পেছনে সশস্ত্র বিদেশি যোদ্ধারা রয়েছে বলে মনে করছে মিসর।
বাংলাদেশ সময়: ১৪২৩ ঘণ্টা, আগস্ট ০৬, ২০১২
সম্পাদনা: জনি সাহা ও জাহাঙ্গীর আলম, নিউজরুম এডিটর