 |
অবিনশ্বর ঘোড়াগুলি
চিঁহিস্বরের ভেতর যে আতঙ্ক মিশিয়ে দিয়েছিলো খিলজি তা মূলত এক ঘোড়গ্রস্ত প্যারাডিম। এখন, দ্রাবিড় সৈকতের ঘোড়া কী বলতে চায় তা না জেনেও সৌখিন ঘোড়সওয়ার হ’তে প্ররোচনা দেয় যে কেন্দ্রীয় অন্ধকার তার ডিরেক্টার কি জানেন, ঘোড়া দিয়ে একদিন কৃষিকাজ হ’তো? আর রমজান কাকা ঘোড়ামার্কা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে হেরে ক্যানো আত্মহত্যা করেছিলো?
অভিমানি ঘোড়ার সাথে সখ্যতা হ’লে পুনঃ মুদ্রিত হয় জীবন। অসভ্য নীল ঘোড়া ব’লে কিছু নেই।
হাতি বিষয়ক কর্মশালা
আমার যে বন্ধু তাঁর গার্লফ্রেন্ডকে হাতির বাচ্চা গিফ্ট করতে চেয়েছিলো সে এখন কুর্মিটোলায় ভেড়া চড়ায়। তাঁর সৌভাগ্য এই, আমি তাঁকে ভেড়ার মাহুত ব’লে ডাকি।
আর, দি লায়ন সার্কাসে আমি যে হাতিটিকে ফুটবল খেলতে দেখেছিলাম সে কিন্তু কালোমানিকের নাম কখনও শোনে নি। ম্যারাদোন সম্পর্কেও তার কোনো ধারণা ছিলো না। তাকে কেবল কলাগাছ বিষয়ক ধারণার ভেতর ডুবে থাকতেই দেখা যেতো।
এ কথা সত্য, ম’রে যাওয়া হাতি আমি কখনও দেখি নি। অথচ বরোই গাছের নিচ দিয়ে যেতে হাতিও ভূতের ভয় পায়।
আমি, এলিফ্যান্ট রোডে ইতোপূর্বে বাঘের দুধের চা খেয়েছি। এবার গেলে হাতির দুধের চা খাবো নিশ্চয়ই।
পিঁপড়া
পিঁপড়ার উত্থিত পুরুষাঙ্গ দেখে ভয়ে যাঁরা পালিয়ে গ্যালো তাঁরা আর্মি মেজর। আর ওই উত্থিত ল্যাওড়ার নিচের দীর্ঘ ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়লো নিগ্রো নিতম্বীনির দল। একজন ভারতীয় নারীর দু পায়ের ফাঁক দিয়ে আমি জঘন্য দৃশ্য দেখে মনে মনে ঈশ্বরকে গালি দেই।
পায়ে পিষে কবে কোন পিঁপড়া মেরেছিলাম সেই টুটকা ইতিহাস ভুলে যেতে চাই। যদিও আমাদের বিপথগামীতার ঐতিহাসিক সাক্ষী আমাদের পায়ের জুতো।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৫ ঘণ্টা, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২