 |
ঢাকা: পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) আইনের ২ সিসি ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে ২৪ পরিচালকের দায়ের করা রিটের শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
বুধবার সকাল পৌনে ১১টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি চলে। ড. কামাল হোসেন ও মাহমুদুল ইসলাম রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন। রাষ্ট্র ও এসইসি’র পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, ‘এনেক্স ভবনের ৩০ নম্বর আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত বৃহস্পতিবার ফের শুনানির দিন ধার্য করেছেন। আদালতের দেওয়া রুলের জবাবও ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া হয়েছে ।’
গত ৪ জুন পরিচালকদের শেয়ার ধারণ নিয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন’র (এসইসি) ২ সিসি ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে ৫ কোম্পানির ২৪ জন পরিচালকের দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে ২সিসি ধারাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে এক সপ্তাহের রুল জারি করেন উচ্চ আদালত।
বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
রুলে ১৩ জুনের মধ্যে এসইসি আইনের ওই ধারা কেন অসাংবিধানিক নয় তা জানতে চাওয়া হয়।
ওইদিন সকালে প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেনের আদালতে ৫টি রিটের বিষয় ওঠে। তিনি এর শুনানির জন্য ৩০ নম্বর আদালতে (অ্যানেক্স) পাঠান।
এর আগে ২৪ মে ১১ নম্বর কোর্ট থেকে ২৪ পরিচালকের দায়ের করা রিটের নথি প্রধান বিচারপতির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, পরিচালকদের শেয়ার ধারণ নিয়ে এসইসি অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২ সিসি ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে ৫ কোম্পানি- এনসিসি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও প্রাইম ফাইন্যান্সের ২৪ জন পরিচালক গত ২২ মে পৃথক রিট আবেদন করেন।
তাদের পে আইনজীবী ছিলেন ড. কামাল হোসেন, রোকনউদ্দিন মাহমুদ, মাহমুদুল ইসলাম ও আকতার ইমাম।
২ সিসি ধারায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসিকে শর্ত আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, কোম্পানি আইন ১৯৯৪ অথবা বিদ্যমান কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা শর্তারোপ দিতে পারবে।
ওই ক্ষমতা বলে গত নভেম্বরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ ও ব্যক্তিগতভাবে ২ শতাংশ শেয়ার সব সময় ধারণের বাধ্যবাধকতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
বাংলাদেশ সময়: ১২০৬ ঘণ্টা, জুন ১৩, ২০১২
এসএমএকে/সম্পাদনা: নজরুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর ও অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর