পাবনা: পাবনা জজ আদালতের নেজারত বিভাগে বুধবার ১ আইনজীবী (এপিপি) কর্তৃক আদালতের ১ কর্মচারী লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট তৌফিক ইমাম খানকে অভিযুক্ত করে পাবনা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন লাঞ্ছিত ওই কর্মচারী।
পুলিশ ও আদালত সূত্র বাংলানিউজকে জানায়, বুধবার দুপুরে অফিস চলাকালে মামলার কাগজপত্র সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এপিপি তৌফিক ইমাম আদালতের নাজিরখানায় (নেজারত বিভাগ) ঢুকে সেখানে দায়িত্বরত এমএলএসএস মনিরুল ইসলামকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
মনিরুল এর প্রতিবাদ করলে তৌফিক তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।
এ ঘটনায় আদালতের কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সিনিয়র আইনজীবীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এ ব্যাপারে মনিরুল বাদী হয়ে বুধবার সন্ধ্যায় পাবনা সদর থানায় অ্যাডভোকেট তৌফিক ইমাম খানকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন বাংলানিউজকে জানান, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
পাবনার পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর পিপিএম বাংলানিউজকে জানান, মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট তৌফিক ইমাম খান বাংলানিউজকে জানান, হাইকোর্ট থেকে যেসব জামিন বা অন্যান্য আদেশ আসে, নেজারত বিভাগের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মচারী টাকা না দিলে তা সময়মত না দিয়ে ফেলে রাখেন।
তিনি জানান, বুধবার এ ধরনের একটি ঘটনায় নেজারত বিভাগের ওই কর্মচারী তার কাছে টাকা দাবি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি তাকে (এমএলএসএস মনিরুল) টেনে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাত্র।
তাকে কোনো রকম আঘাত বা লাঞ্ছিত করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৯ ঘণ্টা, মে ৩১, ২০১২
সম্পাদনা: শিমুল সুলতানা, নিউজরুম এডিটর