চট্টগ্রাম: জাতীয় মূসক (মূল্য সংযোজন কর) দিবস ও সপ্তাহ-২০১২ উপলক্ষে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী ৭ প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট।
মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম আবুল কাসেম।
জাতীয় মূসক দিবস ও সপ্তাহ-২০১২ উদযাপন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োন করে চট্টগ্রাম কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট।
পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হলো- কনকর্ড এন্টারটেনমেন্ট (সেবা), মেসার্স বার্জার পেইন্ট বাংলাদেশ লি. ( উৎপাদন), মেসার্স পারফ্যাটি ভেনজেলি বাংলাদেশ লি. (ব্যবসা), মেসার্স চিটাগাং এশিয়ান পেপার মিল লি. (উৎপাদন), মেসার্স আপন গার্ডেন কমিউনিটি সেন্টার (সেবা) হ্রিন লাইন পরিবহন লি. (সেবা) এবং বান্দরবানের পর্যটন হোটেল মেঘলা।
অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা প্রধান অতিথির হাত থেকে পুরস্কার নেন।
পরে আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।
চট্টগ্রামকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থান আখ্যায়িত করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবুল কাসেম বলেন, ‘এখান থেকে জাতীয় রাজস্বের ৭০ শতাংশ দেওয়া হয়। তাই চট্টগ্রামের গুরুত্ব অনেক।’
মূসক দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,‘সুনাগরিকের যে কতগুলো মানদণ্ড আছে তার মধ্যে সরকারের প্রতি আনুগত্য অন্যতম। আমরা আনুগত্য দেখিয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবো। চলুন আমরা কর প্রদান করি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আয় করলে কর দেবনা কেন? আমরা নিজেরা কর দেবো এবং অন্যদেরকে কর দিতে উৎসাহিত করবো।’
আবুল কাসেম বলেন, ‘ আগে মুসক দিতে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো তা অনেকটা সহজ হয়েছে। ভবিষ্যতে এ প্রক্রিয়া আরও সহজতর হবে।’
সর্বস্তরে আধুনিক পদ্ধতি চালু হবে বলেও অনুষ্ঠানে জানান তিনি।
এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কমিশনার মো. জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে কাস্টমসের কমিশনার ড. মারুফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজের সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম, মেট্রোপলিটন চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহবুব চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৩২ ঘণ্টা, জুলাই ১০, ২০১২
এমইউ/সম্পাদনা: রানা রায়হা, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপু এডিটর