পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা দলের কাছে হোঁচট খেলো বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মতো পরিচিত ভেন্যুতে। একেই বলে অঘটনের শিকার। এই জয়ে মুক্তিযোদ্ধার যত না ক্ষতি হয়েছে তারচেয়ে ঢের বেশি উপকার হয়েছে আরামবাগের। কারণ পয়েন্ট তালিকার শেষ জায়গা থেকে একধাপ ওপরে উঠে এসেছে এই জয়ে। গ্রামীণফোন বাংলাদেশ লিগে ছয় পয়েন্ট নিয়ে এখন তারা অষ্টম। এতদিন গোলব্যবধানে এগিয়ে থাকা ফেনী সকার এখন তালিকার তলানিতে।
মুক্তিযোদ্ধা ১৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানেই রয়েছে। আরাববাগের কাছে হেরে না গেলে জায়গাটা আরও পোক্ত হতো।
খেলায় মুক্তিযোদ্ধ খুবই অসংগঠিত ছিল। আরামবাগের রক্ষণভাগে একবারের জন্যও ফাঁটল ধরাতে পারেনি। উল্টো আক্রমণ থামাতেই গলদঘর্ম হতে হয় তাদের ডিফেন্ডারদের। যার খেসারত দিতে হয় এক গোলে হার মেনে।
২৩ মিনিটের সময় গোলটা পেয়েছে আরামবাগ। খালেদ আহমেদের ক্রস বলে হেডে নিশানা ভেদ করেন সবুজ বিশ্বাস। ৬৭ মিনিট সময় পেয়েছে ওই গোল শোধ দেওয়ার। কিন্তু তারা গোলবারের ঠিকানা খুঁজে পায়নি। এত অগোছালো খেলা খেললে পারবে কী করে।
বাংলাদেশ সময়: ২০৪৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩০, ২০১৩ এসএ/এফএইচএম
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।