সময়টা অস্থির
কিছু অস্থির চাওয়ার কথা বলা হয় না
কিছু অস্থির মানুষ বেঘোর মাতাল।
ক্ষুব্ধ মানুষ আর ক্ষুব্ধ জানোয়ারের পার্থক্য নির্ণয়ক যন্ত্র,
আদৌ কি আবিষ্কার হবে?
জন্মান্ধ তো নই!
শ্লীলতার চিত্রে চোখ পুড়েছে,
মাকে কাঁদতে দেখেছি প্রচুর
আমাকে কেউ কাঁদতে দেখেছে কিনা-
তা ভাববার বটে।
চৌরাস্তার ফকিরও শখে গোল্ডলিফ ধরায়,
আর বাপ আমার সিগারেট ছেড়েছে প্রায় ১৫ বছর।
বখাটে ঠিকই থাকবে
রিকশাঅলা চোখ বাঁকাবে
কী এসে যায়
অস্থির সময় অস্থিরতাই বোঝায়
আর কটা দিন বাকি
তারপর মরে ভূত
মৌজ মাস্তিতে কাটি।
ঘর ঘুণে চৌচির,
কারণ, সময়টা অস্থির।
ক্ষরা কামের চর
আজ দুটো ঠোঁট মরা
বুকে উমের ক্ষরা
আজ সারা রাত জেগে
রাত পার হয়ে ভেগে
দৌড় দূর কোন মাঠ
সহজ সুরের ঘাঁট।
ঘাঁটের সুরটা শুনে
মাঝি নাওয়ের পালটা বুনে
বোনা সুতোর চাকা
মলিন চরকার পাত বাঁকা
বাঁকা নদীর ঢেউ
নাওয়ের বাদাম তোলে কেউ
হাওয়ায় ভাসা গলার গান
নায়ে ছলাত ছলাত টান
কাছেই ভাঙে নদীর পাড়
মাঝির মনে হাহাকার
পাড়ে সংসারী মন-ঘর
জমিন, কর্ গোনা একর
এখন কাম বাসনার পর
নায়ের দিক ওপারের চর।
বাংলাদেশ সময়: ১৬০০ ঘণ্টা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২