নোয়াখালী: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সোমবার দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন ছাত্র আহত হয়েছেন।
বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাইদুজ্জামান ইভান গ্রুপের সঙ্গে আবদুল হামিদ বাপ্পি গ্রুপের তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এর আগে সকালে সাইদুজ্জামান ইভান গ্রুপের ফার্মেসি ৫ম ব্যাচের ছাত্র রাশেদের সঙ্গে আবদুল হামিদ বাপ্পি গ্রুপের আরেক রাশেদের মধ্যে ক্যান্টিনে কথাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এ নিয়ে দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসে উভয় গ্রুপ পুলিশের উপস্থিতিতেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়।
একপর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৫টায় দু`পক্ষ রামদা, লোহার রড় নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় বাপ্পি গ্রুপের বাপ্পি, রাশেদ সোহেল, অতনু, রাশেদ, ও ইভান গ্রুপের ইভান, রাশেদ, ফায়জান, ফারুক, পল্লভ, রবিন, ফরহাদসহ অন্তত ১০ ছাত্র আহত হন।
আহতদের মাইজদীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিক ও নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আবদুল হামিদ বাপ্পি অভিযোগ করে বাংলানিউজকে বলেন, ‘ইভান গ্রুপকে ছাত্রদল ও শিবিরের ছেলেরা ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য লেলিয়ে দিয়েছে। আমার অনুসারীদের বিনা কারণে তারা মেরেছে।’
অন্যদিকে, সাইদুজ্জামান ইভান বাংলানিউজকে বলেন, ‘বাপ্পি রাজনীতির নামে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য এসব করছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ড. আবুল হোসাইন বাংলানিউজকে বলেন, ‘সকাল থেকে ছাত্রদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে শুনেছি কথা কাটাকাটি হয়েছে। দুপুরে দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সাল পর্যন্ত নোবিপ্রবি প্রশাসন ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করলেও প্রকাশ্যে সেখানে রাজনীতি চলছে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৪৫ ঘণ্টা, মে ২৮, ২০১২
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী/রোকনুল ইসলাম কাফী, নিউজরুম এডিটর, আশিস বিশ্বাস, অ্যাসিস্ট্যান্ট আউটপুট এডিটর