 |
সংসদ ভবন থেকে : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ১৪ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ ফান্ড পুঁজিবাজারে এক হাজার ৪৭২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।
রোববার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং বাজার স্থিতিশীল করতে বাংলাদেশ ফান্ড গঠন করা হয়েছে। আইসিবি, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং জীবন বীমা করপোরেশন এই ফান্ডের উদ্যোক্তা। এই ফন্ডের ইউনিট বিক্রয়ের কাজ ২০১১ সালের ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়।’
এ কে এম মাইদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিবেদন অনুযায়ী কয়েকটি তফসিলি ব্যাংকের ইউনিপেটুইউ এর লেনদেন সন্দেহজনক। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইউনিপেটুইউ এর মালিক ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হিসাবগুলো মানিলন্ডারিং আইনের আওতায় স্থগিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিএফআইইউ এর প্রতিবেদনসহ অন্যান্য দলিলাদি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাঠানো হয়েছে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “বিএফআইইউ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী লেনদেন সন্দেহজনক হওয়ায় ডেসটিনির বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবও স্থগিত করা হয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এই প্রতিবেদনটিও দুদকে পাঠানো হবে।”
মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “২০১১-১২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা হতে সরকারের ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ২৯ হাজার ১১৫ কোটি টাকা। যার বিপরীতে গত ১০ জুন পর্যন্ত সাময়িক হিসাব অনুযায়ী নিট ২২ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে।
মুহিবুর রহমান মানিকের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিগত বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের ৫ বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গড় ছিলো ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। বর্তমান সরকারের গত ৩ অর্থবছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গড় হচ্ছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ।”
বাংলাদেশ সময়: ১৪২৫ ঘণ্টা, জুন ২৪, ২০১২
এসএইচ/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর