 |
ঢাকা: অলিম্পিককে সামনে রেখে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিযোগী, কর্মকর্তা ও দর্শকদের পা পড়ছে লন্ডনে। শুধু সোমবারই রেকর্ড সংখ্যক যাত্রীর আশা করছে লন্ডনের ব্যস্ততম হিথ্রো বিমানবন্দর।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে শুধু সোমবার ২ লাখ ৩৭ হাজার যাত্রী হিথ্রোতে পা রাখবেন। যেটা স্বাভাবিক যাত্রীর চেয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। যাত্রীদের মধ্যে এদিন ৩৩৫ জন অ্যাথলেটও থাকবেন বলে এক বিবৃতিতে জানায় হিথ্রো কর্তৃপক্ষ। ২৪ জুলাই থেকে ব্যাপকহারে লন্ডনে পৌঁছতে শুরু করবেন অ্যাথলেটরা। শুধুমাত্র ওই দিনই ১২শ’রও বেশি অ্যাথলেটের পা পড়বে হিথ্রোতে।
অ্যাথলেটদের স্বাগত জানাতে এরই মধ্যে হিথ্রোতে পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীকে মোতায়েন করা হয়েছে। বিশ্বের বৃহৎ ২০টি ভাষা-ভাষী কর্মীরা রয়েছেন এই স্বেচ্ছাসেবী দলে। যাতে করে প্রত্যেক অ্যাথলেট-কর্মকর্তাদের অসুবিধা বা সমস্যা বুঝতে সক্ষম হন তারা। এছাড়া ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে যাতে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেজন্য ইমিগ্রেশন ডেস্কেও অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
এদিকে প্রয়োজনীয় কর্মী যথাস্থানে নেই গেমসের নিরাপত্তা দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার এটা জানানোর পর অতিরিক্ত ব্যবস্থা হিসেবে বৃটিশ সরকার সাড়ে তিন হাজার সেনাকে মাঠে নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বুধবার নিরাপত্তা ঠিকাদার জি.ফোর.এস গেমসের জন্য প্রয়োজনীয় ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তা কর্মী সরবরাহ করতে পারবে না বলে জানায়।
রোববার ক্রীড়া সচিব জেরেমি হান্ট জানান এটা বিস্ময়ের কোনো ব্যাপার নয় যে, কিছু ঠিকাদার তাদের প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি রক্ষা করতে পারবেন না। বিবিসির এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এটা পুরোপুরি স্বাভাবিক যে এই ধরনের বিশাল প্রজেক্টে কিছু ঠিকাদার তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারবে না।’ তবে গেমসের আগে ঠিকাদাররা তাদের অক্ষমতা স্বীকার করে সমস্যার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করায় এবং সেনা মোতায়েনের খরচ বহন করার দায়িত্ব নেওয়ায় তাদের প্রশংসা করেন জেরেমি।
২৭ জুলাই থেকে পর্দা উঠবে লন্ডন অলিম্পিকের।
বাংলাদেশ সময়: ১৮০৬ ঘণ্টা, জুলাই ১৬, ২০১২
এএইচবি
সম্পাদনা: চঞ্চল ঘোষ, নিউজরুম এডিটর