 |
ঢাকা: দমন না করলে জনপীড়নের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। তাই তাদের (বিএনপি-জামায়াত) দমনের জন্যই সোমবার আইন অনুযায়ী বিএনপি অফিসে আটক ও তল্লাসী অভিযান চালানো হয় বলে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর।
নয়াপল্টনে ১৮ দলীয় জোটের তাণ্ডব ও বিএনপি অফিসে পুলিশি অভিযানের পর সন্ধ্যায় এক বেসরকারি টেলিভিন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি এ অভিমত দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি-জাময়াত দেশদ্রোহী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। তারা পুলিশ মারছে। সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে। জনগণের গাড়ি পোড়াচ্ছে। রেললাইন উপড়ে ফেলছে। রাস্তাঘাট ধ্বংস করছে। জনগণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, পুড়িয়ে দিচ্ছে। দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।”
বিএনপি-জামায়াতকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তাই তাদের দমন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারা যে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে তাতে পুলিশ অনেক সহনশীল আচরণ করেছে। কিন্তু তাদের সহিংসতা ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম সীমার বাইরে চলে গেছে। এ অবস্থায় জনগণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য তাদের দমন করা ছাড়া কোন উপায় নেই।”
তিনি বলেন, “তাদের দমন না করলে জনগণ আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে সংবিধান অনুযায়ী তা লঙ্ঘন করা হবে। তাই সাংবিধানিক শক্তি দিয়েই তাদের দমন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা জনগণকে আগুনের মুখে ঠেলে দিতে পারি না। তারা যদি মনে করে তাদের এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে তাহলে তারা বেকুফের বেহেশতে বাস করে।”
তিনি বলেন, “সোমবারও বিএনপি অফিস থেকে ককটেল ও বোমা পাওয়া গেছে। আজ তারা যে সহিংসতা দেখিয়েছে, তা প্রতিরোধে যে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার ছিলো আমরা তা নেইনি।”
তিনি বলেন, “পুলিশ অনেক ধৈর্য্য ধরে বিএনপির এই তাণ্ডব মোকাবেলা করেছে।”
বাংলাদেশ সময়: ২০৪৩ ঘণ্টা, মার্চ ১১, ২০১৩
এআর/জেডএম